২০ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রূপালি পর্দার ভুবনভুলানো হাসি কীভাবে একাত্তরের রণাঙ্গনে হয়ে উঠেছিল এক অমোঘ অস্ত্র? ‘মিষ্টি মেয়ে’র জৌলুস যখন বিনোদন ছাপিয়ে পরিণত হলো স্বাধীনতার সংলাপে। বাসের শরণার্থী থেকে আকাশবাণীতে ভাষণ প্রচার—চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি কবরীর জীবনের সেই ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ ও রোমাঞ্চকর অধ্যায় তুলে ধরে জন্মদিনে তাকে গভীর শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেছেন বায়জীদ খুরশীদ রিয়াজ।
কক্সবাজারের ঘূর্ণিঝড়ের দৃশ্য থেকে শুরু করে ‘ওরে নীল দরিয়া’ গানের দৃশ্যপট বাঙময় হয়েছে নায়কের লেখায়।
“সিনেমামোদী যারা এসব সিনেমা দেখেছেন, তারাও হয়ে যেতেন রাজ্জাক, আর অপরপক্ষ নিজেকে ভাবত কবরী, তাই না?”
ষাটের দশকের মাঝামাঝিতে চট্টগ্রামের ফিরিঙ্গী বাজারের স্কুল পড়ুয়া কিশোরী মিনা পালের চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় ‘কবরী’ নামে; সুভাষ দত্তের ‘সুতরাং’ চলচ্চিত্রে। সেই থেকে কবরী নামেই খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে তার।
শীর্ষ পাঁচ ঢাকাই নায়কের অভিষেক ঘটেছে কবরীর হাত ধরেই।
অভিনেত্রী, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক রাজনীতিবিদ পরিচয়ের বাইরে লেখিকা হিসেবেও নিজেকে জানান দিয়েছিলেন কবরী।
বীর মুক্তিযোদ্ধা মোস্তফা কামাল মন্টু বলেন, সুগন্ধার পাড়ের গণকবরের ওপরে ১৯৭৫ সালের আগেই ভাষা শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়।