২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩
এই আবহাওয়া পরিস্থিতি অস্ট্রেলিয়ার জন্য বিশেষভাবে ক্ষতিকর, কারণ এটি দেশটির কৃষি উৎপাদনকে সরাসরি প্রভাবিত করে।
ইরান যুদ্ধের কারণে সার ও ডিজেল সংকটে আগে থেকেই চাপে থাকা কৃষকদের জন্য এল নিনো-সৃষ্ট শুষ্ক আবহাওয়া নতুন বড় উদ্বেগ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডনের জলবায়ু বিজ্ঞানী থিওডোর কিপিংয়ের ভাষ্য, এ বছরের দ্বিতীয়ার্ধে এল নিনো হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তবে এটি অত্যন্ত শক্তিশালী হওয়ার শঙ্কা কম।
পৃথিবী কেবল উষ্ণই হচ্ছে না, বরং এই উষ্ণ হওয়ার গতিও বেড়ে যাচ্ছে, যা জলবায়ু সংকট ঠেকানোর সময়সীমাকে আরও কঠিন করে তুলছে।
উষ্ণতম বছরও হতে পারে ২০২৪ সাল।
চলতি বছরের গ্রীষ্ম ২০২৩ এর উষ্ণতাকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে নেচার সাময়িকীতে প্রকাশিত ওই গবেষণা নিবন্ধে বলা হয়েছে।
কেনিয়ার প্রবল বৃষ্টি ও বন্যার কারণে কয়েক লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে বলে দেশটির সরকার ও রেডক্রস জানিয়েছে।