১৭ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩
বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থায় বাজেটকে ‘চ্যালেঞ্জিং’ এবং ঘাটতি পূরণে ঋণনির্ভরতা ব্যাংক খাতের পুনরুদ্ধার ও বেসরকারি বিনিয়োগে ঋণপ্রবাহের জন্য ‘ইতিবাচক নয়’ বলে মনে করছে বাণিজ্য সংগঠনটি।
ভ্যাট ৫ শতাংশের পরিবর্তে প্রতি ভরিতে আড়াই হাজার টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী বলছেন, এর মাধ্যমে কর ব্যবস্থার ‘ন্যায্যতা’ প্রতিষ্ঠিত হবে।
পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত পেনশনার সঞ্চয়পত্রের বিপরীতে সুদের ওপর আগের মতই কোনো উৎসে কর কাটা হবে না। আর পাঁচ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সুদের ওপর উৎসে কর হবে ১০ শতাংশ।
কোম্পানি ছাড়া বাকি করদাতাদের ক্ষেত্রে করের হার আগের মতই থাকবে।
এর আগে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য হিসেবে এ পণ্যের আমদানিতে কোনো উৎসে কর ছিল না।
এলাকা ও জমির শ্রেণি ভেদে উৎসে কর দিতে হবে ৫, ৪ ও ২ শতাংশ হারে।
জমি নিবন্ধনে উৎসে কর কমিয়ে এলাকা ও জমির শ্রেণিভেদে ৬, ৪ ও ৩ শতাংশ করা হয়েছে।