০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
সূর্য থেকে আসা চার্জওয়ালা বিভিন্ন কণা পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের পরমাণু ও অণুর সঙ্গে বিক্রিয়া করে আকাশে মেরুজ্যোতি বা অরোরা বোরিয়ালিস তৈরি করে।
গ্রহাণু হচ্ছে পাথরের তৈরি স্থির বস্তু, যেগুলো সূর্যের আশপাশে নিয়মিতভাবে ঘুরে বেড়ায়। এগুলো অনেকটা পৃথিবী বা অন্যান্য গ্রহের মতো।
গত মাসে এ ধূমকেতুর খোঁজ পেয়েছেন একজন স্বতন্ত্র তারা বিজ্ঞানী। সূর্য অস্ত যাওয়ার প্রায় এক ঘণ্টা পর, দক্ষিণ-পশ্চিম আকাশের দিকে তাকালেই এটি দেখা যেতে পারে।
এ সময় সূর্য পৃথিবীর বিষুবরেখা পেরিয়ে দক্ষিণ দিকে চলে যায়। ফলে দিন ধীরে ধীরে ছোট হয়ে রাত বড় হতে থাকে।
ধূমকেতুর ধ্বংসাবশেষ যখন পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে জ্বলে উঠে তখন জ্বলজ্বলে আলো ছড়ানোর মতো পার্সেইড উল্কাবৃষ্টির ঘটনা ঘটে।
প্রায় পুরো উত্তর গোলার্ধজুড়ে তাপপ্রবাহ বয়ে চলছে। ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল, রাশিয়া ও কানাডার বিভিন্ন অংশজুড়ে দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে।