২৫ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এর মধ্যে নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
“নিম্নাঞ্চলে অনেক এলাকায় পানি প্রবেশ করেছে। বড় ধরনের বন্যা আসলে দ্রুত নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।”
গত এক দশকে রাজনৈতিক ও স্বজনপ্রীতির কারণে প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে ফসল রক্ষার নামে হাওরের যেখানে-সেখানে বাঁধ তৈরি করা হয়েছে। এসব বাঁধের কারণে হাওর থেকে বৃষ্টি পানি নামার রাস্তাগুলো বন্ধ হয়ে গেছে।
একনাগাড়ে ভারি বর্ষণে রোববার রাঙামাটির বিভিন্ন এলাকায় পাহাড় ধসের খবর পাওয়া গেছে। উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ডুবে গেছে রাস্তাঘাট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ফসলি জমি।
দুপুর ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় জারিয়া-জাঞ্জাইল পয়েন্টে ২৫০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।
এখনো পানিবন্দি ছয় লাখ ৯৬ হাজার ৯৯৫ পরিবার।
“বন্যা আরও নতুন নতুন অঞ্চলে বিস্তৃত হতে পারে”, বলেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।
যাদুকাটা নদীতে রোববার সন্ধ্যা থেকে সোমবার বিকাল পর্যন্ত পানি বেড়েছে ১৭৪ সেন্টিমিটার।