০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহতের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর তেহরানের রাস্তায় শোক করেন হাজারো মানুষ।
ইরানে বিক্ষোভ ঘিরে খুব শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্র শিয়া সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশটিতে হামলা চালাবে এমন সম্ভাবনা কম মনে হলেও উত্তেজনা এখনও প্রকট।
দুই সপ্তাহের সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যসহ মোট ৩ হাজার ১১৭ জন নিহত হয়েছে বলে বুধবার ইরান সরকার জানিয়েছে।
একটি বড় কারণ হলো, ইরান বিশ্বের সবচেয়ে বেশি নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত দেশগুলোর একটি।
নয়া দিল্লি ও তেহরানের মধ্যে দীর্ঘ ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে, এরা একে অপরের কৌশলগত আঞ্চলিক অংশীদারও, যা গড়ে উঠেছে ভৌগোলিক অবস্থান, নানান সুযোগ-সুবিধা ও আঞ্চলিক ভারসাম্যকে কেন্দ্র করে।
সংবেদনশীল এই মুহূর্তে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন এবং আরও প্রাণহানি কিংবা বিস্তৃত আঞ্চলিক সংঘাত উসকে দেয় এমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া থেকে বিরত থাকতে সব পক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব।
তেহরান বিপুল সংখ্যক বিক্ষোভকারীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পরিকল্পনা করছে না বলেও বিশ্বাস মার্কিন প্রেসিডেন্টের।
যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো তেহরানের ‘বৈধ নিশানায়’ পরিণত হবে, বলেছেন ইরানি পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কালিবাফ।