১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
গ্রহটি এর আকারের তুলনায় সূর্যের অনেক বেশি কাছে অবস্থিত। একইসঙ্গে গ্রহ তৈরির প্রচলিত নিয়মগুলোর কোনোটিই বুধ মেনে চলে না।
বস্তুটি তৈরিতে মোটা অংকের অর্থ ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশের অনেক দেশের বার্ষিক জিডিপির চেয়েও বেশি।
মহাকাশ জয়ের তীব্র প্রতিযোগিতায় রকেট বিস্ফোরণে বিপন্ন হচ্ছে সংরক্ষিত বনাঞ্চল ও বন্যপ্রাণী। বিজ্ঞান জয়ের এ যাত্রা কি ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে পৃথিবীর ভঙ্গুর বাস্তুতন্ত্রকে?
জেমস ওয়েব ও হাবল স্পেস টেলিস্কোপের মাধ্যমে তোলা এসব ছবিতে গ্যাসীয় দানব এ গ্রহটির বায়ুমণ্ডলের এক অভূতপূর্ব দৃশ্য ফুটে উঠেছে।
১৯৯৯ থেকে ২০০৫ সালের মধ্যে পৃথিবীর চৌম্বকীয় উত্তর মেরুর সরে যাওয়ার গতি বছরে সর্বোচ্চ ৯ মাইল থেকে বেড়ে এক লাফে বছরে ৩৭ মাইলে পৌঁছেছে।
একদিকে মাস্কের স্টারলিংক, অন্যদিকে অ্যামাজনের মতো জায়ান্টদের টক্কর, সব মিলিয়ে এখন রকেট উৎক্ষেপণের নতুন এক ‘রণক্ষেত্রে’ পরিণত হয়েছে উত্তরের আকাশ।
এ অভিযানে চারজন নভোচারীর মধ্যে রয়েছেন নাসার দুইজন, ফ্রান্সের একজন ও রাশিয়ার একজন। আইএসএসে আট মাস ওজনহীন পরিবেশে বিভিন্ন গবেষণা করবেন তারা।
এআই মডেলটিকে হাবল টেলিস্কোপের গত ৩৫ বছরের ইতিহাসের হাজার হাজার ডেটাসেট ব্যবহার করে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন গবেষকরা।