২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
মহাকাশ জয়ের তীব্র প্রতিযোগিতায় রকেট বিস্ফোরণে বিপন্ন হচ্ছে সংরক্ষিত বনাঞ্চল ও বন্যপ্রাণী। বিজ্ঞান জয়ের এ যাত্রা কি ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে পৃথিবীর ভঙ্গুর বাস্তুতন্ত্রকে?
জেমস ওয়েব ও হাবল স্পেস টেলিস্কোপের মাধ্যমে তোলা এসব ছবিতে গ্যাসীয় দানব এ গ্রহটির বায়ুমণ্ডলের এক অভূতপূর্ব দৃশ্য ফুটে উঠেছে।
১৯৯৯ থেকে ২০০৫ সালের মধ্যে পৃথিবীর চৌম্বকীয় উত্তর মেরুর সরে যাওয়ার গতি বছরে সর্বোচ্চ ৯ মাইল থেকে বেড়ে এক লাফে বছরে ৩৭ মাইলে পৌঁছেছে।
একদিকে মাস্কের স্টারলিংক, অন্যদিকে অ্যামাজনের মতো জায়ান্টদের টক্কর, সব মিলিয়ে এখন রকেট উৎক্ষেপণের নতুন এক ‘রণক্ষেত্রে’ পরিণত হয়েছে উত্তরের আকাশ।
এ অভিযানে চারজন নভোচারীর মধ্যে রয়েছেন নাসার দুইজন, ফ্রান্সের একজন ও রাশিয়ার একজন। আইএসএসে আট মাস ওজনহীন পরিবেশে বিভিন্ন গবেষণা করবেন তারা।
এআই মডেলটিকে হাবল টেলিস্কোপের গত ৩৫ বছরের ইতিহাসের হাজার হাজার ডেটাসেট ব্যবহার করে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন গবেষকরা।
পৃথিবীর সাধারণ অভিকর্ষ বলের চেয়ে হাজার গুণ বেশি শক্তিশালী কৃত্রিম অভিকর্ষ বল তৈরি করতে পারে এ মেশিন।
এনসেলাডাসে জৈব পদার্থের বৈচিত্র্য অনেক বেশি ও এসব নমুনা একেবারেই সতেজ, যা ক্যাসিনি মহাকাশযানের তথ্য সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করেছেন গবেষকরা।