০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
যে সরকার এসেছিল বৈষম্যহীন সমাজ গড়তে, তারা বিদায় নিল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিভাজনের রেখাটি টেনে দিয়ে! এই বিভাজনের রাজনীতি কি তবে অন্তর্বর্তী সরকারের অবধারিত নিয়তি ছিল?
অভিজ্ঞ এই রাজনীতিবিদকে কূটনৈতিক দায়িত্বে আনার সিদ্ধান্ত ইঙ্গিত দিচ্ছে, ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক এগিয়ে নিতে এখন কেবল আমলাতান্ত্রিক দক্ষতা যথেষ্ট নয়, প্রকাশ্য রাজনৈতিক মিথস্ক্রিয়াও প্রয়োজন।
নাগরিক সেবা, নাকি রাজনৈতিক স্বার্থ—স্থানীয় সরকারে অগ্রাধিকার কোনটি?
জামায়াত-এনসিপি সখ্য থেকে শুরু করে মান্নার হাসি-কান্না—নির্বাচনের ডামাডোলে উন্মোচিত হচ্ছে রাজনীতিকদের বিচিত্র রূপ।
অন্তর্বর্তী সরকারকে ঘিরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে বাড়ছে অনিশ্চয়তা ও অবিশ্বাস। এনসিপি ও ইসলামবাদী কিছু দলের সক্রিয়তা, এনজিও-সুশীল সমাজের প্রভাব এবং নির্বাচন নিয়ে জটিল হিসাব-নিকাশে প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকারের অবস্থান।
“এটা কোন ধরনের আইন, কোর্ট জামিন দেয়, আপনারা অ্যারেস্ট করেন,” বলেন তিনি।
“নির্বাচন নিয়ে, ক্ষমতায় যাওয়া নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোকে অস্থির না হতে অনুরোধ করব”, বলেন তিনি।
“অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার উদ্যোগে যুক্তরাষ্ট্রের কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতা অগ্রাধিকার পেয়েছে আলোচনায়।”