২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরান এরইমধ্যে সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতাসহ কয়েকজন শীর্ষ নেতৃত্বকে হারিয়েছে। যুদ্ধের সময় যত বাড়ছে এ তালিকা তত লম্বা হচ্ছে।
এবারও সংঘাতের প্রথম দিনই ইরানের একাধিক সামরিক ও রাজনৈতিক নেতাকে হত্যা করে ইসরায়েল; যার মধ্যে আছে শিয়া সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিও।
ইসরায়েলি হামলায় নিহত ইরানের নিরাপত্তা প্রধান আলি লারিজানির জানাজায় অংশ নিতে বুধবার তেহরানে মানুষের ঢল নামে। শোকাতুর জনতার হাতে ছিল পতাকা আর লারিজানির ছবি। বাসিজ বাহিনীর প্রধান গোলামরেজা সোলাইমানি এবং শ্রীলঙ্কা উপকূলে মার্কিন হামলায় নিহত নাবিকদের জানাজাও পড়ানো হয়।
৬৭ বছর বয়সে লারিজানি হয়ে উঠেছিলেন ইরানি শাসকগোষ্ঠী ও তাদের ধারাবহিকতার দৃশ্যমান প্রতীক।
ইরানের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা আলি লারিজানি, আইআরজিসি থেকে পার্লামেন্ট স্পিকার, আবার জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের শীর্ষ পদে প্রত্যাবর্তন।
লারিজানি তার ছেলে মোর্তেজা, ডেপুটি আলিরেজা বায়াত ও একদল রক্ষীর সঙ্গে তেহরানে ইসরায়েলি হামলায় নিহত হন।
তবে ইরানের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনও কোনো বক্তব্য আসেনি।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) ফলাফলের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার জন্য ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়নের অপেক্ষায় রয়েছে।