০৭ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ইসরায়েলের সেনারা আন্তর্জাতিক জলসীমায় ওই নৌবহর থেকে আল জাজিরার এক সাংবাদিক ও ক্যামেরাম্যান এবং মার্কিন সংবাদমাধ্যম জিটিও-র সংবাদিক অ্যালেক্স কলস্টনসহ দুই শতাধিক অধিকারকর্মীকে তুলে নিয়ে যান।
সুদানে সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) মধ্যে প্রায় তিন বছর ধরে চলা সংঘাতে ভয়াবহ মানবিক সঙ্কট সৃষ্টি হয়েছে।
২০২৩ সালের অক্টোবরে ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর গাজায় এ পর্যন্ত প্রায় ২২০ সাংবাদিকের প্রাণ গেছে।
“সংঘাতের মূল্য কোনোদিনই শিশুদের দেওয়া উচিত নয়।”
বাস্তুচ্যুতরা বলছেন, আরএসএফ নিয়ন্ত্রিত চেকপয়েন্ট অতিক্রম করার সময় তাদের ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েয়েছে।
মঙ্গলবার সৌদি হাসপাতালে থাকা প্রত্যেককেই ঠাণ্ডা মাথায় হত্যা করে আরএসএফ সদস্যরা। তাদের হাত থেকে রোগী, তাদের সঙ্গী কিংবা সেখানে উপস্থিত কেউই রক্ষা পায়নি।
“সব রোগী, স্বাস্থ্যকর্মী ও চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানকে আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের আওতায় সুরক্ষিত রাখতে হবে,” বলেন তেদ্রোস।
সুদানের আল-ফাশির শহরে সেনা সদর দপ্তর দখলের পর ড্রোন ভিডিও প্রকাশ করেছে আধাসামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)।