০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে উপসাগরীয় এই দেশটিকে সন্দেহের চোখে দেখে ইরান।
ইরানের এই হামলার জবাব দেওয়ার ‘পূর্ণ ও বৈধ অধিকার’ রয়েছে বলে জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার কয়েকঘন্টা পরও উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতে কয়েকদফায় ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর এসেছে।
গত ফেব্রুয়ারিতে ইরানে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ছবি বা ভিডিও প্রচারের ওপর কড়াকড়ির অংশ হিসেবে এই ব্যবস্থা নিয়েছে দুবাই কর্তৃপক্ষ।
ইরান বা ইসরায়েল কেউই চীনের উইং লুং-২ ড্রোন ব্যবহার করে না। তবে সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের সামরিক ভাণ্ডারে এই ড্রোন রয়েছে।
“শুধু ইউক্রেইন নয়, রাশিয়াকেও সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।”
সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষামন্ত্রণালয় বলেছে, তারা ইয়েমেনে থাকা তাদের সন্ত্রাস-বিরোধী ইউনিট সরিয়ে নিচ্ছে।
ইসরায়েল এমন পদক্ষেপ নিলে তা সীমা লঙ্ঘনের শামিল হবে এবং এতে আব্রাহাম চুক্তির চেতনা ক্ষুন্ন হবে বলে সতর্ক করেছে আমিরাত।