১৮ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
“জনস্বার্থে যে কোনো ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে সরকার বিন্দুমাত্র পিছপা হবে না।”
অতিরিক্ত মানুষের উপস্থিতি; দীর্ঘক্ষণ এসি বন্ধ থাকা এবং বিকল্প কোনো ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা না থাকা; বাতাসে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে যাওয়াকে শিশু মৃত্যুর সম্ভাব্য কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে তদন্ত প্রতিবেদনে।
নিহত এক শিক্ষার্থীর বাবা এ আবেদন করেছিলেন।
বিমান বাহিনী প্রধানের নামও রয়েছে আসামির তালিকায়।
“ইউনাইটেড গ্রুপের চেয়ারম্যানসহ আরো যারা আসামি ছিলেন, চার্জশিটে তাদের নাম আনা হয়নি,” বলেন শিশুটির বাবা।
সড়ক সম্প্রসারণে ও নতুন নির্মাণে গাছ কাটার প্রতিযোগিতা সাধারণ মানুষ আন্দোলন করে বন্ধ করতে সক্ষম হয়েছে, এমন কোনো নজির দেশে খুব একটা নেই।
শিশুটির পরিবারের অভিযোগ, তাকে হাসপাতালে ভর্তির জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়েছিল। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
বছর দেড়েক আগে সিজারের সময় ওই দুই মৃত্যু ঘটে।