বাজারে আসছে মটোরোলার নতুন প্রিমিয়াম ফোন ‘সিগনেচার ২৭’
ফোনের টেলিফটো লেন্সের ক্যামেরায় বড় ধরনের আপগ্রেড এনে এটাকে ৫০ মেগাপিক্সেল থেকে সরাসরি ২০০ মেগাপিক্সেল করেছে মটোরোলা।
স্ন্যাপড্রাগনের আধুনিক প্রসেসর, টেলিফটো লেন্সের সঙ্গে বড় সেন্সর ও নতুন প্রযুক্তির স্পিকার নিয়ে নিজেদের সবচেয়ে উন্নত ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন উন্মোচন করেছে মটোরোলা।
স্ন্যাপড্রাগন সামিটে নতুন ‘সিগনেচার ২৭’ স্মার্টফোন দেখিয়েছে কোম্পানিটি, যা তাদের আগের ‘সিগনেচার’ হ্যান্ডসেটের উন্নত সংস্করণ বলে প্রতিবেদনে লিখেছে প্রযুক্তি সংবাদের সাইট এনগ্যাজেট।
ফোনটির বড় আকর্ষণ হচ্ছে এতে কোয়ালকমের আধুনিক ও শক্তিশালী মোবাইল প্রসেসর ‘স্ন্যাপড্রাগন ৮ এলিট এক্সট্রিম জেন ৬’ চিপসেটের ব্যবহার।
কোয়ালকমের আধুনিক ও শক্তিশালী মোবাইল এসওসি ব্যবহারকারী প্রথম কয়েকটি ফোনের মধ্যে এটি একটি।
কম্পিউটারে প্রসেসর, র্যাম বা গ্রাফিক্স কার্ড মাদারবোর্ডের আলাদা আলাদা অংশে থাকলেও স্মার্টফোনের মতো ছোট ডিভাইসে জায়গা বাঁচানো ও কার্যসক্ষমতা বাড়ানোর জন্য সম্পূর্ণ সিস্টেমটিকে একটিমাত্র চিপে একত্র করা হলে একে সিন্টেম অন এ চিপ বা এসওসি বলে।
ফ্ল্যাগশিপ মডেলটিকে মটোরোলা তাদের ‘সবচেয়ে উন্নত স্মার্টফোন’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। ডিভাইসটিতে উন্নত অডিও অভিজ্ঞতার জন্য যোগ হয়েছে ‘ব্যাং অ্যান্ড উলফসেন’ স্পিকার আর হার্ডওয়্যার ঠান্ডা রাখতে একটি আপগ্রেডেড কুলিং সিস্টেম।
ফোনের ক্যামেরার ক্ষেত্রে মূল ক্যামেরাটি আগের মতোই ৫০ মেগাপিক্সেলের ‘সনি লাইটিয়া ৯১০’ সেন্সরেই অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
তবে টেলিফটো লেন্সের ক্যামেরাটিতে বড় ধরনের আপগ্রেড এনে এটাকে ৫০ মেগাপিক্সেল থেকে সরাসরি ২০০ মেগাপিক্সেল করেছে মটোরোলা।
অ্যান্ড্রয়েড ১৭ অপারেটিং সিস্টেমে চলা মটোরোলার ফ্ল্যাগশিপ ফোনে সাত বছরের ওএস আপগ্রেডের প্রতিশ্রুতি রয়েছে।
এ ছাড়া, এতে গুগলের এআই জেমিনাই সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন এআই টুলের পর্যাপ্ত সুবিধা মিলবে, যার মধ্যে ভিডিও জেনারেটর ‘ওমনি’ ও মিউজিক জেনারেটর ‘লিরিয়া’র মতো ফিচার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
ডিভাইসটির ডিসপ্লে স্পেসিফিকেশনসহ অনেক তথ্যই এখনও প্রকাশ করেনি মটোরোলা। ফোনটির বাজারে আসার নির্দিষ্ট কোনো তারিখও ঘোষণা করেনি কোম্পানিটি।
মটোরোলা বলেছে, হ্যান্ডসেটটি ‘২০২৬ সালেই বিশ্বজুড়ে বাজারে আসার সম্ভাবনা রয়েছে’। তবে, এর দাম কত হতে পারে সে বিষয়ে কোনো তথ্য মেলেনি।
এর আগের মডেলটির বিভিন্ন কনফিগারেশনের ওপর ভিত্তি করে দাম ছিল প্রায় ৮০০ থেকে ১২০০ ডলারের মধ্যে।
এদিকে, মটোরোলা ও ব্যাং অ্যান্ড উলফসেনের মধ্যকার সহযোগিতার বিষয়টি কেবল এ ফোনেই সীমিত থাকছে না।
কোম্পানি দুটি সম্প্রতি বহু বছর মেয়াদি পার্টনারশিপের ঘোষণা দিয়েছে, যার ফলে সামনের দিনেও মটোরোলার পণ্যে এই ব্র্যান্ডের অডিও প্রযুক্তি দেখা যাবে।
