২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

নোটিফিকেশনের মাধ্যমে ফোন গ্রাহকদের ওপর নজরদারি: মার্কিন সিনেটর

অ্যাপল এক বিবৃতিতে বলেছে, বিভিন্ন দেশ সরকার কীভাবে ব্যবহারকারীর পুশ নোটিফিকেশনে নজরদারি চালায়, সে বিষয়ে জনসমক্ষে তথ্য প্রকাশের সুযোগ করে দিয়েছে ওয়াইডেনের এই চিঠি।

নোটিফিকেশনের মাধ্যমে ফোন গ্রাহকদের ওপর নজরদারি: মার্কিন সিনেটর

ছবি: রয়টার্স

প্রযুক্তি ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 08 Dec 2023, 01:42 PM

Updated : 08 Dec 2023, 01:42 PM

পুশ নোটিফিকেশনের মাধ্যমে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের ওপর নজরদারি চালাচ্ছে একাধিক দেশের সরকার, এমনই সতর্কবার্তা দিলেন এক মার্কিন সিনেটর।

মার্কিন বিচার বিভাগের কাছে দেওয়া এক চিঠিতে ওরেগনের সিনেটর রন ওয়াইডেন বলেন, গুগল ও অ্যাপলের কাছে ডেটা চাচ্ছেন বিভিন্ন দেশের সরকারি কর্মকর্তা। চিঠিতে এর বিশদ বিবরণ না থাকলেও বিভিন্ন দেশ কীভাবে নাগরিকদের ওপর নজরদারি চালায়, এর মাধ্যমে তার একটি নতুন উপায় স্পষ্ট হল বলে এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে রয়টার্স।

স্মার্টফোনে ব্যবহৃত প্রায় সকল অ্যাপেই পুশ নোটিফিকেশনের শব্দ বা দৃশ্যমান বার্তার মাধ্যমে গ্রাহকদের বিভিন্ন ঘটনা বা আপডেট সম্পর্কে সতর্ক করা হয়। তবে, বেশিরভাগ গ্রাহকেরই ধারণা নেই যে এ ধরনের প্রায় সকল নোটিফিকেশনই গুগল ও অ্যাপলের সার্ভার ঘুরে আসে।

এর মাধ্যমে কোনো অ্যাপ থেকে গ্রাহকের কাছে কী ধরনের ডেটা পাঠানো হয়, সে ব্যাপারে স্পষ্ট ধারনা লাভ করে মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম সেবাদাতা কোম্পানি দুটি।

“গ্রাহকরা কী উপায়ে বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করে থাকেন, সে বিষয়ে নজরদারির সুযোগ পায় বিভিন্ন দেশের সরকার,”-- বলেন ওয়াইডেন। পুশ নোটিফিকেশন নজরদারি নিয়ে গণ আলোচনায় বাধা রয়েছে, মার্কিন বিচার বিভাগকে এমন নীতিমালা “অপসারণ বা সংশোধনের” আহ্বানও জানান তিনি।

অ্যাপল এক বিবৃতিতে বলেছে, বিভিন্ন দেশ সরকার কীভাবে ব্যবহারকারীর পুশ নোটিফিকেশনে নজরদারি চালায়, সে বিষয়ে জনসমক্ষে তথ্য প্রকাশের সুযোগ করে দিয়েছে ওয়াইডেনের এই চিঠি।

অন্যদিকে গুগল বলেছে, তারা ব্যবহারকারীদের বিষয়টি জানানোর ব্যাপারে ওয়েইডেনের ‘অঙ্গীকারের’ সঙ্গে একমত। 

পুশ নোটিফিকেশন নজরদারি বা সে বিষয়ে অ্যাপল ও গুগলের ওপর কোনো বিধিনিষেধ রয়েছে কি না, সে বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি মার্কিন বিচার বিভাগ।

বছরের শুরুতে ফরাসি অ্যাপ নির্মাতা ডেভিড লিবাউ বলেন, ব্যবহারকারী ও ডেভলপাররা প্রায়শই বুঝতে পারেন না যে, অ্যাপগুলো থেকে এই মার্কিন টেক জায়ান্ট কোম্পানিগুলোর কাছে কী ধরনের ডেটা পাঠানো হয়। পাশাপাশি, একে ‘প্রাইভেসি দুর্যোগ’ বলেও আখ্যা দেন তিনি।