০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩

নতুনদের তাল-লয় শেখাতে নতুন ঘরানার কিবোর্ড আনল ক্যাসিও

এর আগে, বিভিন্ন সফটওয়্যারে এই ধরনের প্রযুক্তি দেখা গেলেও কোনো হার্ডওয়্যার বা সরাসরি বাদ্যযন্ত্রে এমন উদ্ভাবন এটাই প্রথম।

নতুনদের তাল-লয় শেখাতে নতুন ঘরানার কিবোর্ড আনল ক্যাসিও

এ কিবোর্ডে হেডফোন আউটপুট ও ব্লুটুথ সংযোগের সুবিধাও রয়েছে। ছবি: ক্যাসিও

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 08 Nov 2026, 10:14 AM

Updated : 08 Nov 2026, 10:14 AM

সংগীত অনুরাগীদের জন্য বিশেষ মডেলের একটি কিবোর্ড এনেছে প্রযুক্তি ও বাদ্যযন্ত্র নির্মাতা কোম্পানি ক্যাসিও। নতুনদের জন্য সংগীত চর্চার একটি দারুণ মাধ্যম হতে পারে কিবোর্ডটি।

‘সিটি-এফএস১’ নামের এ কিবোর্ডে যোগ হয়েছে ক্যাসিওর ব্র্যান্ড-নিউ ‘ফিল সিঙ্ক’ প্রযুক্তি, যা যে কোনো গানের সঙ্গে কিবোর্ডের সুর স্বয়ংক্রিয়ভাবে সামঞ্জস্য করে নেয়।

এ প্রযুক্তির ফলে ভুল নোটে বা সুরে বাজানোর কোনো সুযোগ থাকবে না বলে প্রতিবেদনে লিখেছে প্রযুক্তি সংবাদের সাইট এনগ্যাজেট।

প্রযুক্তিটি কাজ করে কোম্পানির নিজস্ব ‘ফিল সিঙ্ক’ অ্যাপের মাধ্যমে। মূল বিষয় হচ্ছে, ব্যবহারকারীরা অ্যাপটিতে তাদের পছন্দের যে কোনো গান আপলোড করবেন।

এরপর প্রযুক্তিটির অ্যালগরিদম গানটি বিশ্লেষণ এবং গানটির মূল স্কেল ও কি’র সঙ্গে কিবোর্ডের সামঞ্জস্য নিশ্চিত করবে। জটিল কোনো গান বা বারবার সুরের পরিবর্তন ঘটে এমন ব্রিজ ও ভেরিয়েশন থাকা গানেও প্রযুক্তিটি কাজ করবে।

এর আগে, বিভিন্ন সফটওয়্যারে এই ধরনের প্রযুক্তি দেখা গেলেও কোনো হার্ডওয়্যার বা সরাসরি বাদ্যযন্ত্রে এমন সংযোজন এটাই প্রথম।

তবে কোনো ভুল না করে বাজানো নিশ্চিত করা এই কিবোর্ড নতুনদের কী সাহায্য করবে?

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এতে স্কেল বা নোট শেখার ক্ষেত্রে বিশেষ উপকার না হলেও নতুনদের তাল ও লয় এবং পরিবেশনার এক্সপ্রেশন বা ভাব নিখুঁত করার জন্য কার্যকর ভূমিকা রাখবে এই কিবোর্ড।

যে কোনো বাদ্যযন্ত্র শেখার ক্ষেত্রে সুরের প্রথাগত নিয়মের আড়ালে প্রায়শই এসব গুরুত্বপূর্ণ দিক ঢাকা পড়ে যায়, যা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করবে এটি।

কিবোর্ডটির ‘ফিল সিঙ্ক’ অংশটিকে চাইলে দুটি আলাদা জোনেও ভাগ করা যায়। ফলে নতুন শিখছেন এমন কেউ কিবোর্ডের এক প্রান্তে এলোমেলোভাবে চাপলেও অন্য প্রান্তে বসে কোনো অভিজ্ঞ সংগীতশিল্পী মূল সুর ও নোট নিখুঁতভাবে বাজাতে পারবেন।

এটা স্ট্যান্ডার্ড ক্যাসিও কিবোর্ডও বটে, যা চাইলেই সাধারণ নিয়মে প্রচলিত উপায়ে বাজানো সম্ভব। এতে রয়েছে স্পর্শ-সংবেদনশীল ৬১টি কি, সারাউন্ড ইফেক্টওয়ালা বিল্ট-ইন স্টেরিও স্পিকার ও বেছে নেওয়ার মতো নানা ধরনের সুর।

এ ছাড়া, এতে হেডফোন আউটপুট ও ব্লুটুথ সংযোগের সুবিধাও রাখা হয়েছে। ওজনে বেশ হালকা হওয়ায় কিবোর্ডটি বহন করাও বেশ সহজ।

সাড়ে চার কেজি ওজনের ‘সিটি-এফএস১’ কিবোর্ডটি এসি অ্যাডাপ্টারের পাশাপাশি সাধারণ ‘এএ’ ব্যাটারিতেও সচল রাখা যায়।

বাজারে এটা দুটি ভিন্ন রঙে পাওয়া গেলেও দুটি মডেলেই একরঙা নান্দনিকতা ধরে রেখেছে। যার মধ্যে একটি মডেল পুরোপুরি কালো, এর কিবোর্ড থেকে শুরু করে পুরো বডিই কালো রঙের।

একইভাবে সাদা মডেলটির ক্ষেত্রেও পুরো কিবোর্ডটি সাদার মোড়কে রয়েছে। সম্পূর্ণ একরঙা এই বিশেষ ডিজাইনের নান্দনিকতা পছন্দ নাও হতে পারে অনেকের। কিবোর্ডটির দাম ৪০০ ডলার।