Published : 31 May 2017, 04:15 PM
এতে আরও জানা যায়, হয়রানি শিকার হয়ে তাদের মধ্যে ২২ শতাংশ গেইম খেলাই বন্ধ করে দিয়েছেন।
ডিচ দ্য লেবেল নামের প্রতিষ্ঠানটি প্রায় আড়াই হাজার তরুণকে নিয়ে এই জরিপ চালায়, যাদের বয়স ১২ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে, বলা হয়েছে বিবিসি’র প্রতিবেদনে।
১৬ বছর বয়সী গেইমার বেইলি মিশেল বিবিসি’কে বলেন, তিনি ১০ বছর বয়স থেকে যখন অনলাইন গেইম খেলেন তখন থেকেই হয়রানির শিকার হচ্ছেন। তিনি বলেন, “আপনি যদি প্রতিদিন স্কুলে যান আর প্রতিদিনই সেখানে হয়রানির শিকার হন তাহলে এ থেকে বাঁচার জন্য আপনি আপনার বাসায় আপনার কম্পিউটারের কাছে যেতে চান। তাই এ থেকেও যদি আপনাকে আরও বেশি হয়রানির শিকার হন তাহলে আপনি সামাজিক সবকিছু করা বন্ধ করে দেবেন-- এমনটা প্রচুর মানুষের সঙ্গে ঘটেছে, আমি নিজেও আছি।”
“এটি নিয়মিত, আপনি যে গেইমেই থাকুন প্রতিটিতেই সবসময় কেউ না কেউ থাকে যার একটি মাইক আছে বা চ্যাটিংয়ে টাইপ করছে। তারা আপনাকে নিয়ে বিভিন্ন ধরনের হয়রানিমূলক মন্তব্য করবে।”
তিনি জানান, শুধু হয়রানি নয়, মৃত্যুর হুমকিও পাওয়া যায় নিয়মিতই। তবে, এসব ক্ষেত্রে এখন তিনি গেইম উপভোগ করার দিকেই বেশি নজর দেন।
“এখন, আমি যখন এমন কিছু পাই, আমি মজার কিছু বলে বা এড়িয়ে যাই। কিন্তু আমি যখন ১০ বছর বয়সী ছিলাম আমার কাছে মনে হতো- এরা কারা, কেন তারা আমার সঙ্গে এমন করছে?”
এই সমস্যা সমাধানে দাতব্য প্রতিষ্ঠানটি একটি বৈশ্বিক প্রচারণা শুরু করতে যাচ্ছে, বলেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী লিয়াম হ্যাকেট। তিনি বলেন, “অনলাইন গেইমিং পরিবেশে হয়রানি একটি বাস্তব সমস্যা।”
এই জরিপে আরও যেসব তথ্য প্রকাশিত হয়, সেগুলো হচ্ছে- অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৪৭ শতাংশের দাবি তারা অনলাইন গেইমিংয়ে হুমকি পেয়েছে, ৩৮ শতাংশ গেইম খেলার সময় হ্যাকিংয়ের শিকার হওয়ার কথা জানান, ৭৪ শতাংশ এই সমস্যা গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া উচিত বলে মত দেন আর ২৯ শতাংশ বলেছেন- হয়রানি বা হুমকি অনলাইন গেইম উপভোগে তাদের কোনো ক্ষতি করে না।
ইউনিভার্সিটি অফ স্ট্র্যাথক্লাইড-এর মনোবিদ ড. ইয়ান রিভার্স বলেন, “অনলাইন গেইমগুলো প্রায়ই হিংস্রতাপূর্ণ আর সংঘর্ষের উপর ভিত্তি করে বানানো।”