ইউনিলিভারের এজিএমএ ৩০০ শতাংশ লভ্যাংশ অনুমোদন
এর ফলে বিনিয়োগকারীরা শেয়ারপ্রতি লভ্যাংশ পাবেন ৩০ টাকা।
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইউনিলিভার কনজ্যুমার কেয়ার লিমিটেডের বিনিয়োগকারীদের জন্য গত ডিসেম্বরে সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ঘোষিত লভ্যাংশ অনুমোদন হয়েছে বার্ষিক সাধারণ সভায়।
পরিচালনা পর্ষদ ঘোষিত ৩০০ শতাংশ চূড়ান্ত লভ্যাংশই অনুমোদন হয়েছে মঙ্গলবারের বার্ষিক সাধারণ সভা বা এজিএমে।
এর ফলে বিনিয়োগকারীরা শেয়ারপ্রতি লভ্যাংশ পাবেন ৩০ টাকা।
এটি প্রতিষ্ঠান ৫১তম এজিএম। এতে লভ্যাংশের পাশাপাশি ডিরেক্টরস রিপোর্ট, অডিটরস রিপোর্ট ও অডিটেড ফাইনান্সিয়াল স্টেটমেন্টও অনুমোদন হয়েছে।
পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের নির্দেশনা অনুসরণ করে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে এই এজিএম হয় বলে কোম্পানির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
ইউনিলিভারের চেয়ারম্যান মাসুদ খান বলেন, “বৈশ্বিক ব্যবসার অংশ হিসেবে ২০২৩ সালে আমাদের কোম্পানিকে অনেক ভূরাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হয়েছে। যে কারণে এ বছরে মোট মুনাফা কমেছে। তবে ব্যবসায়িক প্রতিকূল পরিস্থিতি কাটিয়ে আমরা নিট মুনাফা বাড়াতে সক্ষম হয়েছি।
“২০২২ সালের তুলনায় ২০২৩ সালে নিট মুনাফা বেড়েছে ৬ দশমিক ৫ শতাংশ। অভ্যন্তরীণ অনেক সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও ২০২৩ সালের জন্য কোম্পানি ৩০০ শতাংশ নগদ চূড়ান্ত লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।”
১৯৭৪ সাল থেকে বাংলাদেশে কার্যক্রম চালিয়ে আসছে ইউনিলিভার। তাদের পোর্টফোলিওতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে হরলিক্স, মালটোভা, বুস্ট, গ্লুকোম্যাক্স-ডি এর মতো আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড।
কোম্পানির চেয়ারম্যান মাসুদ খানের সভাপতিত্বতে সভায় পরিচালকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মো. জাভেদ আখতার, জিনিয়া তানজিনা হক, এস ও এম রাশেদুল কাইউম, মো. আবুল হোসাইন, রেজাউল হক চৌধুরী।
কোম্পানি সচিব নাহারুল ইসলাম মোল্লা, স্ট্যাচুটরি অডিটর ও ইনডিপেনডেন্ট স্ক্রুটিনাইজারসহ বেশ কয়েকজন শেয়ার হোল্ডারও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সভায় অংশগ্রহণ করেন।
