১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০১ কার্তিক ১৪৩৩

‘নতুন হোসেলু’ নয়, নিজের নামেই পরিচিত হতে চান এস্পি

তবে অভিজ্ঞ স্ট্রাইকারের মতোই সুযোগের সর্বোচ্চ সদ্ব‍্যবহার করতে চান এই তরুণ।

Rabiul Islam Tuhin Rabiul Islam Tuhin

Published : 23 Sep 2026, 08:48 AM

Updated : 23 Sep 2026, 08:48 AM

লেভান্তে থেকে রেয়াল মাদ্রিদে যোগ দেওয়া কার্লোস এস্পির মাঝে কেউ কেউ দেখেন হোসেলুর ছায়া। তবে এই অভিজ্ঞ স্ট্রাইকারের সঙ্গে নিজের তুলনা চান না এস্পি। তরুণ স্ট্রাইকার পরিচিত হতে চান নিজের নামেই। একই সঙ্গে হোসেলুর মতো সুযোগের সর্বোচ্চ সদ্ব‍্যবহার করতে চান তিনি।

রেয়ালের হয়ে স্রেফ চারটি ম‍্যাচ খেলেছেন এস্পি, এর মধ‍্যে করেছেন দুটি গোল। হতে পারত তিনটি। রেয়াল বেতিসের বিপক্ষে কয়েক সেন্টিমিটারের জন‍্য অফসাইড হওয়ায় পাননি ওই গোল।

এখন স্পেন অনূর্ধ্ব-২১ দলের অনুশীলন ক‍্যাম্পে আছেন এস্পি। সেখানে এএসের সঙ্গে দীর্ঘ সাক্ষাৎকার রেয়ালে যোগ দেওয়া, এমবাপের সঙ্গে খেলা, হোসেলুর সঙ্গে তুলনাসহ নানা বিষয়ে কথা বলেছেন তিনি।

“হোসেলু হলেন হোসেলু, আমি আমিই। তিনি বেশিরভাগ সুযোগ কাজে লাগিয়েছেন। আর প্রতিবার আমি যখন খেলি সেটি করার চেষ্টা করি। আমি সেটাই করি যেটা কোচ আমাকে করতে বলেন, সেটা হলো রেয়াল মাদ্রিদের জন্য নিজের সর্বোচ্চটা দিয়ে পরিশ্রম করা। তিনিও একজন স্ট্রাইকার, আমরা একইরকম। তবে আমার মনোযোগ কেবল নিজের উপর এবং কীভাবে দলকে সাহায‍্য করতে পারি, সেটার উপর।”

২০২৩-২৪ মৌসুমে এস্পানিওল থেকে ধারে নিজের সাবেক ক্লাব রেয়ালে খেলতে আসেন হোসেলু। সেবার ৩৪ ম‍্যাচে তিনি করেন ১০ গোল। এই পরিসংখ‍্যানে ফুটে উঠছে না ওই মৌসুমে দলটির লা লিগা ও চ‍্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা জয়ে তার ভূমিকা। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে গোল করেছেন, বদলি নেমে ভীতি ছড়িয়েছেন নিয়মিত, অন‍্যদের গোলের সুযোগ তৈরি করে দিয়েছেন। এস্পির খেলাতেও এসবের স্পষ্ট ছাপ রয়েছে।

গন্সালো গার্সিয়া ক্লাব ছাড়ার প্রস্তুত শুরু হওয়ার পর দ্রুত তৎপর হয় রেয়াল। দ্রুততার সঙ্গে গত ৩০ জুলাই এস্পিকে সান্তিয়াগো বের্নাবেউয়ে নিয়ে আসে ইউরোপের সফলতম ক্লাবটি। গত দুই মৌসুমে কোনো বড় শিরোপা জিততে না পারা দলটির ডাকে সাড়া না দেওয়ার কথা কি ভেবেছিলেন এস্পি?

“(হাসি) সত‍্যি বলতে, না। যখন রেয়াল মাদ্রিদ নামটা আসল, তখনই আমরা সবাই বুঝতে পারি এটা আমার ক‍্যারিয়ারের বড় এক পদক্ষেপ। বেড়ে ওঠার সুযোগ, প্রতিদিন উন্নতি করার সুযোগ। আপনি প্রতিটি অনুশীলন সেশনে সেটাই করবেন, নতুন কিছু শিখবেন। যে প্রতিটা মিনিট আমি রেয়ালের হয়ে খেলি, সেটাই বাড়তি অনুপ্রেরণা।”

রেয়ালে যোগ দেওয়ার আলোচনা শুরুর পর কী পরিস্থিতিতে পরেছিলেন সেটা বললেন ইস্পি। এমনকি বন্ধুদেরকে বলারও অনমুতি ছিল না তার।

“পরিস্থিতিটা কঠিন ছিল (হাসি)। ভাবুন, আপনি রেয়াল মাদ্রদি যোগ দিতে যাচ্ছেন, কিন্তু কাউকে বলতে পারছেন না! কঠিন কয়েকটি দিন ছিল, কারণ আপনি বলতে চাইবেন, কিন্তু আপনাকে সেটাই করতে হবে যা বলা হবে।

“তারা বলেছিল, এটা দ্রুত হয়ে যাবে, আমাদের কিছু বলা উচিত হবে না… কিন্তু আমি শুধু বন্ধুদের বলতে চেয়েছিলাম। আপনি বিশ্বাস করবেন না, তারা কতবার আমাকে জিজ্ঞেস করেছে, আমি এই দল বা ওই দলে যাচ্ছি কিনা। কিন্তু আমি কিছু বলতে পারিনি। যাই হোক, আমি খুব খুশি এবং তারাও আমার জন‍্য খুব খুশি।”