পদকের লড়াইয়ে যেতে পারলেন না ইমরানুর
আইচি-নাগোয়া এশিয়ান গেমসের ১০০ মিটার স্প্রিন্টের সেমি-ফাইনাল থেকে ছিটকে গেলেন বাংলাদেশের দ্রুততম মানব।
হিট থেকে সেমি-ফাইনালের টাইমিংয়ে একটু উন্নতি হলো, কিন্তু পদকের লড়াইয়ে ওঠার জন্য যথেষ্ট হলো না। এশিয়ান গেমসের ১০০ মিটার স্প্রিন্টের পদকের লড়াইয়ে ওঠা হলো না বাংলাদেশের দ্রুততম মানব ইমরানুর রহমানের।
নাগোয়া সিটি মিজুহো পার্ক অ্যাথলেটিক স্টেডিয়ামে শুক্রবার সেমি-ফাইনালে এক নম্বর হিটে দৌড়ান ইমরানুর। ১০ দশমিক ৪৪ সেকেন্ড সময় নিয়ে নিজের হিটে তিনি আট প্রতিযোগীর মধ্যে হন সপ্তম। সব মিলিয়ে ২৪ জনের মধ্যে তিনি হন ২১তম।
হিটে ১০ দশমিক ৪৯ সেকেন্ডে দৌড় শেষ করে চতুর্থ হন ইমরানুর। তবে, সব হিট মিলিয়ে সেমি-ফাইনালে ওঠা ২৪ প্রতিযোগীর মধ্যে ২২তম হয়ে সেমি-ফাইনালে উঠেন ইংল্যান্ড প্রবাসী এই অ্যাথলেট।
২০২৩ সালের এশিয়ান গেমসেও সেমি-ফাইনাল থেকে ছিটকে যান ইমরানুর। সেবার হাংঝুতে তিনি দৌড় শেষ করেন ১০ দশমিক ৪২ সেকেন্ডে। জাপানে এসে সে টাইমিংও ছাপিয়ে যেতে পারলেন না তিনি।
এই ইভেন্টের পদকের লড়াইয়ে ওঠা আট প্রতিযোগীর মধ্যে সেরা টাইমিং করেছেন থাইল্যান্ডের পুরিপোল বোনসোন (৯ দশমিক ৯১ সেকেন্ড)। ১০ সেকেন্ডের নিচে কেবল দৌড়েছেন তিনিই। ১০ দশমিক ২৫ সেকেন্ড সময় নিয়ে অষ্টম হয়ে সবশেষ প্রতিযোগী হিসেবে সেমি-ফাইনাল পেরিয়েছেন মালয়েশিয়ার মোহাম্মদ আজেম।
দক্ষিণ এশিয়ার কেউ উঠতে পারেননি পদকের লড়াইয়ে। ভারতের দুই স্প্রিন্টার গুরভিন্দর সিং (১০ দশমিক ৩২ সেকেন্ড) ১১তম ও অনিমেশ কুমার (১০ দশমিক ৩৮ সেকেন্ড) ১৮তম হয়েছেন।
প্রতিযোগিতার সপ্তম দিনে শর্টবোর্ড সার্ফিংয়ে তৃতীয় স্থানে থেকে হিট শেষ করেছেন ফাতেমা আক্তার। জাপানের লং বিচে অনুষ্ঠিত প্রথম রাউন্ডে দ্বিতীয় হিটে ২.৯২ পয়েন্ট স্কোর করেন তিনি।
ব্যাডমিন্টনে মিশ্র দ্বৈত ইভেন্টে আল আমিন জুমার-উর্মি আক্তার জুটি ২-০ ব্যবধানে হেরেছে মালয়েশিয়ার জুটির কাছে।
নারী হকিতে ‘এ’ গ্রুপের ম্যাচে কাজাখস্তানের সঙ্গে ৩-৩ গোলে ড্র করেছে বাংলাদেশ। আইরিন রিয়া ও অর্পিতা পাল ও কণা আক্তার পেয়েছেন জালের দেখা।
ভরোত্তোলনে নারীদের ৫৭ কেজি ওজন শ্রেণিতে স্মৃতি আক্তার স্ন্যাচ (৭৫ কেজি) ও ক্লিন অ্যান্ড জার্ক (১০০ কেজি) মিলিয়ে ১৭৫ কেজি তুলে ৭ জনের মধ্যে ষষ্ঠ হয়েছেন। উত্তর কোরিয়ার ওহ ওয়া-ওকে ২৩৮ কেজি তুলে এই ইভেন্টে স্বর্ণ জিতেছেন।
শুটিংয়ে নেই স্বস্তির কোনো খবর। ৫০ মিটার রাইফেল থ্রি-পজিশনে আব্দুল্লাহ হেল বাকী ৫৭৭ স্কোর করে ৩৯ জনের মধ্যে ২৩তম হয়েছেন। রবিউল ইসলাম (৫৬৭) ৩৪তম এবং ইউসুব আলী (৫৬৭) ৩৫তম হয়েছেন। তিন জনের সম্মিলিত স্কোরের যোগফলে দলগত ইভেন্টে বাংলাদেশ ১১ দলের লড়াইয়ে তলানিতে ছিল।
