Published : 13 Nov 2025, 06:21 PM
বারবার চোটের আঘাত ও পারফরম্যান্সে ছন্দহীনতায় ম্যানচেস্টার সিটিতে শেষদিকে বেশ ভুগতে হয়েছিল এদেরসনকে। যে কারণে গত বছরেই ক্লাব ছাড়ার চেষ্টা করেছিলেন তিনি, নিজেই জানালেন ব্রাজিলিয়ান গোলরক্ষক।
ম্যানচেস্টার সিটিতে সফল আটটি বছর কাটানোর পর, প্রায় এক কোটি ২০ লাখ পাউন্ড ট্রান্সফার ফিতে তুর্কি ক্লাব ফেনেরবাচেতে যোগ দেন এদেরসন।
২০১৭ সালে পর্তুগিজ ক্লাব বেনফিকা থেকে সিটিতে যোগ দেওয়ার পর ক্লাবটির হয়ে এদেরসন জিতেছেন ১৮টি ট্রফি। এর মধ্যে রয়েছে ছয়টি প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা ও একটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। এছাড়া তিনবার তিনি প্রিমিয়ার লিগে সেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার ‘গোল্ডেন গ্লোভ’ জিতেছেন।
তবে সিটিতে শেষ দুই মৌসুমে বারবার চোটের কবলে পড়তে হয় তাকে। ২০২৩-২৪ মৌসুমে তিন দফার চোটে মোট ১৬ ম্যাচ খেলতে পারেননি তিনি আর গত মৌসুমে চার দফার চোটে পড়ে ম্যাচ মিস করেন ১০টি। একের পর এক চোটের ছোবলে তার পারফরম্যান্সেও বিরূপ প্রভাব পড়ে।
এরপর তো ঠিকানায় পাল্টে ফেললেন এদেরসন। আন্তর্জাতিক ফুটবলে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলার জন্য বর্তমানে জাতীয় দলের সঙ্গে আছেন তিনি।
আগামী শনিবার সেনেগালের বিপক্ষে মাঠে নামবে ব্রাজিল। এর আগে বুধবার সংবাদ সম্মেলনে এসে পেছন ফিরে তাকালেন ৩২ বছর বয়সী গোলরক্ষক।
“(গত মৌসুমের) আগের মৌসুমেই আমি ক্লাব ছাড়ার চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু তা সম্ভব হয়নি। আমার মনে হয়, সেটা আমার পারফরম্যান্সকেও কিছুটা প্রভাবিত করেছিল। মৌসুমে আমি পাঁচটি চোটে ভুগেছি এবং নিজের সেরাটা দিতে পারিনি।”
“সেটা আমার ওপর কিছুটা প্রভাব ফেলেছিল। পরিবারের সঙ্গে কথা বলে আমি আগেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যে, ক্লাব রাজি হলে আমি চলে যাব। পরিবর্তনটা আমার দরকার ছিল। সুখী না থাকলে বড় ও সফল ক্লাবে থেকেও কোনো লাভ নেই।”
মাঝেমধ্যে কোনো সমস্যা দূর করতে কিংবা ক্যারিয়ারে নতুন গতি আনতে নতুন চ্যালেঞ্জের প্রয়োজন হয় বলে মনে করেন এদেরসন।
“জীবনে, ক্যারিয়ারে নতুন চ্যালেঞ্জের প্রয়োজন আছে... এই পরিবর্তনের পর আমি আবার ফুটবল উপভোগ করছি, তুরস্কে ম্যাচের সময়ের উন্মত্ত আবহ উপভোগ করছি। এই নতুন চ্যালেঞ্জে আমি খুবই খুশি, জয়ের জন্য উদগ্রীব।”
ব্রাজিল ইতোমধ্যে ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলা নিশ্চিত করেছে। সেনেগাল ম্যাচের পর তারা আগামী বুধবার খেলবে তিউনিসিয়ার বিপক্ষে।