২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪ আশ্বিন ১৪৩৩

‘ভারতকে হারাতে পারলে খুশি হব’

মালদ্বীপ ম্যাচে দলকে এগিয়ে নেওয়া ফরোয়ার্ড সুরভি আকন্দ প্রীতি বললেন, প্রাথমিক লক্ষ্য পূরণ হলেও নিজেদের পারফরম্যান্সে তারা বেশি খুশি নন।

‘ভারতকে হারাতে পারলে খুশি হব’
সুরভি আকন্দ প্রীতি। ছবি: বাফুফে

বিডিনিউজ২৪

মোহাম্মদ জুবায়ের, গোয়া থেকে, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 30 May 2026, 08:20 AM

Updated : 11 Sep 2026, 03:19 PM

টিম হোটেলে সুরভি আকন্দ প্রীতি যখন কথা বলতে এলেন, তার মুখে নেই কোনো হাসি। বুঝতে কারো বাকি থাকল না, মালদ্বীপের বিপক্ষে ৪-২ ব্যবধানের জয়ে স্বস্তি মিলেছে, তৃপ্তি মেলেনি। প্রীতিও বললেন, সেমি-ফাইনালে ওঠার লক্ষ্য পূরণ হলেও তারা মালদ্বীপ ম্যাচের পারফরম্যান্সে খুশি নন খুব বেশি। ভারতকে হারাতে পারলেই করবেন আসল উদযাপন।

ভারতের গোয়ার জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়ামে উইমেন’স সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে রোববার গ্রুপসেরা হওয়ার লড়াইয়ে ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। মালদ্বীপকে ১১-০ গোলে হারিয়ে আসর শুরু করা ভারত এ ম্যাচে ড্র করলেই গ্রুপসেরা হবে। জিততেই হবে বাংলাদেশের। 

মালদ্বীপের বিপক্ষে গোল উৎসবের ভাবনা ছিল বাংলাদেশের। শুরুটাও আশা জাগানিয়া ছিল, ১১ সেকেন্ডে আনিকা রানিয়া সিদ্দিকীর গোলে। এরপর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন উমহেলা মারমা। কিন্তু এরপর বাংলাদেশ দ্বিগুণ বেগে ছুটবে কি, উল্টো হজম করে বসে দুই গোল!

এমন সময়ে বদলি নেমে দলকে এগিয়ে নেন প্রীতি। এরপর দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ে কোহাতি কিসকুর গোলে জয়ের বন্দেরে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ। তবে ম্যাচ শেষের সংবাদ সম্মেলনে এসে সেমি-ফাইনালে ওঠার লক্ষ্য পূরণ নিয়ে তুষ্টি জানালেও আক্রমণভাগের ফিনিশিংয়ের ব্যর্থতার সমালোচনা করেন কোচ পিটার জেমস বাটলার।

প্রীতির কথাতেও এদিন ফুটে উঠল লক্ষ্য পূরণের উদযাপন তুলে রাখার কারণ। ভারতের বিপক্ষে অন্যরকম প্রাণশক্তি নিয়ে দল খেলবে, এমনটাও আত্মবিশ্বাসী কণ্ঠেই বললেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড।

“মালদ্বীপ ম্যাচের পর আমাদের মধ্যে তেমন কথা হয়নি। কোচ আমাদের পারফরম্যান্স নিয়ে খুশি। কোচের কথা ছিল, আমাদের তিন পয়েন্ট লাগবে, আমরা সেটা পেরেছি, তো এটাই। কাল আমাদের অনুশীলন আছে, তো কোচ দেখাবেন, আমরা কি ভুল-ত্রুটি করেছি গতকালের ম্যাচে। তো ওইটা শুধরানোর চেষ্টা করব।”

“মালদ্বীপরে বিপক্ষে আমাদের সেরকম খেলাটা খেলতে পারিনি, তাই সবার এতো আনন্দিত হওয়ার কিছু নেই, ভারতের সঙ্গে আমাদের পরের লড়াই, ওইটা জিতলে আমরা খুশি হব আর কী। ভারতের বিপক্ষে খেলা মানেই আমাদের মধ্যে বাড়তি একটা এনার্জি আসে। ওদের সঙ্গে খেলা হলে, আমরা ভালো করি সবসময়। ওরা তুলনামূলকভাবে ভালো দল, এজন্যই প্রাণশক্তিটা আসে। তাছাড়া ওরা আমাদের পাশের দেশ সেজন্যই আসে সেই এনার্জিটা।”