Published : 07 Mar 2025, 10:35 PM
গত বছরের শেষ দিকে হুট করে ছন্দ হারিয়ে ফেলা বার্সেলোনাকে কক্ষপথে ফেরাতে বড় অবদান রাখা ভয়চেখ স্ট্যান্সনিকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন হান্সি ফ্লিক। ইনিয়াকি পেনিয়াকে পেছনে রেখে পোস্টে কেন পোলিশ গোলরক্ষককে বেছে নিয়েছেন, তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন বার্সেলোনা কোচ।
বার্সেলোনার সবশেষ ম্যাচেও পোস্টে দ্যুতি ছড়িয়েছেন স্ট্যান্সনি। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে শেষ ষোলোর প্রথম লেগে বেনফিকার বিপক্ষে ১-০ গোলের জয়ে নায়ক তিনিই। ম্যাচজুড়ে ব্যস্ত সময় কাটানো ৩৪ বছর বয়সী গোলরক্ষক করেছেন আটটি সেভ। তিনি শুরুর একাদশে থাকার ম্যাচগুলোয় এখনও হারেনি বার্সেলোনা।
চোট পেয়ে লম্বা সময়ের জন্য বার্সেলোনার অধিনায়ক ও প্রথম পছন্দের গোলরক্ষক মার্ক-আন্ড্রে টের স্টেগেন ছিটকে না গেলে হয়তো এখনও অবসরই কাটাতেন স্ট্যান্সনি। বার্সেলোনার প্রয়োজনেই ফের গ্লাভস হাতে তুলে নেন তিনি।
একটা সময় পেনিয়া ও স্ট্যান্সনির মধ্যে কাকে পোস্টে রাখবেন, অনেক ভাবতে হতো বার্সেলোনার কোচকে। অনুশীলনে ও ম্যাচে একের পর এক দারুণ পারফরম্যান্সে তার কাজটা সহজ করে দিয়েছেন সাবেক ইউভেন্তুস গোলরক্ষক।
আগামী শনিবার লা লিগায় ওসাসুনার বিপক্ষেও তিনি থাকছেন শুরুর একাদশে। ম্যাচের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে ফ্লিক পরিষ্কার করেছেন, কেন এই মুহূর্তে স্ট্যান্সনি তাদের প্রথম পছন্দ।
“সে অসাধারণ। (বেনফিকার বিপক্ষে গত ম্যাচে পাউ কুবার্সি শুরুতে লাল কার্ড দেখেছিল) অন্য খেলোয়াড়রা ১০ জন নিয়ে ১১ জনের বিরুদ্ধে রক্ষণ সামাল দিচ্ছিল। সে আমাদের অনেক সাহায্য করেছে। এটাই তার কাজ। আমরা তা আড়াল করতে পারি না। সে তার দায়িত্ব খুব ভালোভাবে সামলাচ্ছে। আর এই কারণেই সে এখন এক নম্বর।”
“অনুশীলনে খেলোয়াড়দের দেখলেই বিষয়টা পরিষ্কার হয়ে যায়। সিদ্ধান্ত আমিই নেই, তবে আমার স্টাফদের সঙ্গে আমি আলোচনা করি। স্ট্যান্সনি যে এই পর্যায়ে পৌঁছাতে পারবে, সে বিষয়ে সবাই নিশ্চিত ছিল। আমরা সবাই জানতাম।”
গত সেপ্টম্বরে প্রথম দেখায় ওসাসুনার বিপক্ষে ৪-২ গোলে হেরেছিল বার্সেলোনা। এবারের লা লিগায় সেটাই ছিল তাদের প্রথম হার। শিরোপা লড়াইয়ে এগিয়ে থাকতে ঘরের মাঠে জয়ের আশায় ফ্লিক।
“আমরা প্রতিপক্ষের মাঠে খেলেছিলাম… কাল আমাদের সম্ভাব্য সেরা দল নামাতে হবে। আমার ধারণা, আমাদের পারফরম্যান্সের মান এখন ভিন্ন পর্যায়ে। আগামীকালের ম্যাচ নিয়ে আমি আশাবাদী।”
আতলেতিকো মাদ্রিদের চেয়ে ১ পয়েন্টে এগিয়ে থেকে শীর্ষে আছে বার্সেলোনা। শিরোপাধারী রেয়াল মাদ্রিদের চেয়ে এগিয়ে ৩ পয়েন্টে।