Published : 01 Jul 2026, 04:14 PM
বিশ্বকাপে দারুণ সময় কাটছে মেক্সিকোর। তাদের মসৃন ছুটে চলায় হাতে ধরা দিয়েছে নানা অর্জন। এর একটিতে ব্রাজিলকে স্পর্শ করেছে তারা, সামনে আছে কেবল ইতালি। কনক্যাকাফ অঞ্চলের প্রথম দেশ হিসেবে বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব থেকে বিদায় করেছে লাতিন আমেরিকার কোনো দেশকে।
শেষ বত্রিশে একুয়েডরকে ২-০ গোলে হারিয়েছে মেক্সিকো। এই ম্যাচে স্বাগতিকদের অর্জনগুলো দেখে নেওয়া যাক-
৪০
৪০ বছর পর নকআউট পর্বে কোনো ম্যাচ জিতল মেক্সিকো। ১৯৮৬ সালে সবশেষ জিতেছিল বুলগেরিয়ার বিপক্ষে, এই আসতেকা স্টেডিয়ামেই। সেবারও ২-০ গোলে জিতেছিল স্বাগতিকরা।
১৭ বছর ২৫৯ দিন
বিশ্বকাপে নকআউট পর্বে দ্বিতীয় কনিষ্ঠ (১৭ বছর ২৫৯ দিন) খেলোয়াড় হিসেবে শুরুর একাদশে খেললেন মেক্সিকোর গিলবের্তো মোরা। তার চেয়ে কম বয়সে খেলেছেন কেবল পেলে। সে সময় তার বয়স ছিল ১৭ বছর ২৩৯ দিন।
৪
মেক্সিকো তৃতীয় দেশ হিসেবে কোনো গোল হজম না করে কোনো আসরে নিজেদের প্রথম চার ম্যাচে জিতল। ১৯৮৬ আসরে প্রথম চার ম্যাচ জিতেছিল ব্রাজিল। আর ১৯৯০ সালে প্রথম পাঁচ ম্যাচে কোনো গোল হজম না করে জেতে ইতালি।
৮৯
আসতেকা স্টেডিয়ামে প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে ৮৯ ম্যাচ খেলেছে মেক্সিকো। ঐতিহাসিক এই স্টেডিয়ামে তাদের জয় ৬৯টি, ড্র ১৭টি। হার দুটি এসেছে এই শতাব্দীতে, বিশ্বকাপ বাছাইয়ে কোস্টা রিকা ও হন্ডুরাসের বিপক্ষে।
১
কনক্যাকাফ অঞ্চলের প্রথম দেশ হিসেবে বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব থেকে কনমেবল অঞ্চলের কোনো দেশকে বিদায় করল মেক্সিকো। আগের পাঁচ এমন লড়াইয়ে জিতেছিল লাতিন আমেরিকার দেশগুলো।
৩
মেক্সিকোর পঞ্চম ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপে অন্তত তিন গোল করলেন হুলিয়ান কিনোনেস। অন্য চারজন হলেন লুই এর্নান্দেস (৪), হাভিয়ে ‘চিচারিতো’ এর্নান্দেস (৪), কোয়াওতেমক ব্লেঙ্কো (৩) ও রাফায়েল মার্কেস (৩)।
২
বিশ্বকাপে কোনো ম্যাচে প্রথমার্ধে মেক্সিকোর সর্বোচ্চ গোল দুটি। একুয়েডর ম্যাচের আগে ১৯৮৬ সালে বেলজিয়াম ও ১৯৬২ সালে চেকোস্লোভাকিয়ার বিপক্ষে এই কীর্তি গড়ে তারা।
২৬-সমাপ্তি
২০২৪ সালের জুনে কোপা আমেরিকায় সবশেষ একাধিক গোল হজম করে হেরেছিল একুয়েডর। ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে ২-১ গোলে হারের পর প্রতিপক্ষের গোল দুইয়ের নিচে রেখেছিল তারা। এর ইতি ঘটাল মেক্সিকো।
১৫
বিশ্বকাপে টানা ১৫ ম্যাচ ধরে প্রথমার্ধে কোনো গোল হজম করেনি মেক্সিকো। প্রতিযোগিতায় কোনো দলের জন্য যা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। ১৯৮২ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত টানা ১৯ ম্যাচে প্রথমার্ধে কোনো গোল হজম করেনি ইংল্যান্ড। যা এখনও সর্বোচ্চ।