চুয়াডাঙ্গায় ১৭ বছর আগের হত্যা মামলায় ২ জনের যাবজ্জীবন
২০০৯ সালের ১৯ এপ্রিল সন্ধ্যায় নিখোঁজের পরদিন ধান ক্ষেত থেকে ঝন্টুর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় একটি হত্যা মামলার ১৭ বছর পর দুইজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।
বুধবার চুয়াডাঙ্গার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মোক্তাগীর আলম আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) আ. স. ম. আব্দুর রউফ।
দণ্ড পাওয়ারা হলেন- উপজেলার শালিখা গ্রামের সোলাইমান আলীর ছেলে ইসমাইল হোসেন এবং একই গ্রামের প্রয়াত আবু ছদ্দিনের ছেলে আবুল কালাম আজাদ।
মামলার বরাতে পিপি আব্দুর রউফ বলেন, শালিখা গ্রামের জাহা বক্স মণ্ডলের ছেলে ঝন্টুর সঙ্গে ইসমাইল হোসেন পান ব্যবসায় জড়িত ছিলেন। ২০০৯ সালের ১৯ এপ্রিল সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ইসমাইলের মোবাইল পেয়ে টাকা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন ঝন্টু। পরদিন গ্রামের একটি ধান ক্ষেতে ঝন্টুর লাশ পাওয়া যায়।
একইদিন ঝন্টুর বাবা ইসমাইলসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও দুই থেকে তিনজনকে আসামি করে মামলা করেন। এজাহারে আর্থিক লেনদেনকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে ঝন্টুকে হত্যা করা হয় বলে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়।
তদন্ত শেষে একই বছরের ২৮ ডিসেম্বর পুলিশ দুইজনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে বলে জানান পিপি।
সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে দুই আসামিকে যাবজ্জীবনের পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়; যা অনাদায়ে তাদের আরও দুই মাস কারাবাসে থাকতে হবে বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের এই আইনজীবী।
