টেকনাফে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়া পাচারের চেষ্টা, উদ্ধার ১৭ জন
টাকার বিনিময়ে সমুদ্রপথে বিদেশে পাঠানোর প্রস্তুতির আগে তাদের একটি বাড়িতে জড়ো করা হয়েছিল বলে জানায় এসআরবি।
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার একটি বাড়ি থেকে ১৭ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে; যাদেরকে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়া পাচারের জন্য জড়ো করা হয়েছিল বলে দাবি স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-এসআরবির।
শুক্রবার বিকালে উপজেলার দক্ষিণ লম্বরী এলাকার ওই বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছেন এসআরবি-১৫-এর সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে বান্দরবানের লামা উপজেলার সাতজন রয়েছেন। বাকিরা কক্সবাজারের চকরিয়া, পেকুয়া, রামু, সদর ও টেকনাফ উপজেলার বাসিন্দা।
আ. ম. ফারুক বলেন, একটি বাড়িতে কয়েকজনকে জড়ো করে রাখার খবর পায় এসআরবি-১৫-এর টেকনাফ ক্যাম্প। পরে বিকাল ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে মো. ইব্রাহীমের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়।
এসআরবি-১৫ জানায়, অভিযানের খবর পেয়ে সেখানে থাকা সন্দেহভাজন পাচারকারীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে বাড়িটিতে তল্লাশি চালিয়ে ১৭ জনকে উদ্ধার করা হয়। তারা সবাই অক্ষত ছিলেন।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা জানান, টাকার বিনিময়ে তাদের সমুদ্রপথে বিদেশে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছিল। বিদেশে নিয়ে তাদের জোর করে শ্রমে নিয়োজিত করার পরিকল্পনা ছিল বলেও জানায় এসআরবি।
পুলিশ সুপার ফারুক বলেন, তারা কীভাবে ওই বাড়িতে এসেছিলেন এবং তাদের কাছ থেকে কোনো টাকা নেওয়া হয়েছিল কি-না, তা তদন্ত করা হচ্ছে। পালিয়ে যাওয়া সন্দেহভাজনদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
উদ্ধার হওয়া ১৭ জনকে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
