২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯ আশ্বিন ১৪৩৩

মধ্যপ্রাচ্যের সংকট কাটলে জ্বালানি তেলের দাম কমাবে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়ার পাশাপাশি বীমা প্রিমিয়ামসহ আমদানি ব্যয়ও বেড়েছে বলে জানিয়েছেন অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

মধ্যপ্রাচ্যের সংকট কাটলে জ্বালানি তেলের দাম কমাবে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

মেহেরপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 24 Sep 2026, 03:41 PM

Updated : 24 Sep 2026, 03:41 PM

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকট কাটলে জ্বালানি তেলের দাম কমানোর কথা বলেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

দাম বৃদ্ধি নিয়ে সরকারের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “সরকার প্রথমে প্রায় ছয় মাস পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছে। কিন্তু কোনো বিকল্প না থাকায় শেষ পর্যন্ত কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।

“তবে মধ্যপ্রাচ্যের সংকট দ্রুত কেটে যাবে বলে সরকার আশাবাদী। সংকট কেটে গিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমলে খুব দ্রুত দেশের বাজারেও দাম সমন্বয়ের চেষ্টা করা হবে।”

‎বৃহস্পতিবার মেহেরপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব বলেন তিনি।

সম্প্রতি জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ে সাংবাদিকদের করা প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ জ্বালানি তেল আমদানিনির্ভর দেশ। দেশে জ্বালানি তেল উৎপাদন হয় না।

“যে অঞ্চল থেকে জ্বালানি তেল আমদানি করা হয়, সেখানে বর্তমানে যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে। এর প্রভাব সারা বিশ্বের জ্বালানি বাজারে পড়েছে। এর ফলে বিভিন্ন দেশে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে।”

বৈদেশিক মুদ্রার মাধ্যমে জ্বালানি তেল আমদানি করতে হয় জানিয়ে অনিন্দ্য ইসলাম বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়ার পাশাপাশি বীমা প্রিমিয়ামসহ আমদানি ব্যয়ও বেড়েছে। ফলে দীর্ঘ সময় জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় না করে রাখা সরকারের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছিল।

এর আগে মেহেরপুরের জেলা প্রশাসক শিল্পী রানী রায়ের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি জাভেদ মাসুদ মিলটন এবং জেলা পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমার রায় বক্তব্য দেন।

সভায় জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা নিজ নিজ দপ্তরের কার্যক্রম, জেলার বিভিন্ন উন্নয়ন সম্ভাবনা ও বিদ্যমান সমস্যার কথা তুলে ধরেন। এ সময় মেহেরপুরের স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী।