শেরপুরে ড্রাম থেকে উদ্ধার লাশের পরিচয় মিলেছে
বৃহস্পতিবার সকালে কুড়িকাহুনিয়া ইউনিয়নের কুড়িকাহুনিয়া বাজারসংলগ্ন সেতুর নিচে কুড়েমনি খাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
শেরপুরের শ্রীবরদীতে খালে পড়ে থাকা ড্রাম থেকে উদ্ধার হওয়া পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
মরদেহটি গাজীপুরের এরশাদ নগরের শাকিল মিয়ার মেয়ে ঝিনুক আক্তারের বলে জানিয়েছে পিবিআই শেরপুর ও জামালপুরের পুলিশ সুপার পঙ্কজ দত্ত।
নিহত ঝিনুক আক্তারের বয়স পঁচিশ বছর। তার মায়ের নাম বেবী, স্বামীর সঙ্গে তার যোগাযোগ নেই।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শ্রীবরদী উপজেলার কুড়িকাহুনিয়া ইউনিয়নের কুড়িকাহুনিয়া বাজারসংলগ্ন সেতুর নিচে কুড়েমনি খাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় আহেদ আলী বলছেন, সকালে কয়েকজন পথচারী সেতুর নিচে খালের মধ্যে একটি ড্রাম ভাসতে দেখেন। ড্রামটির মুখ খোলা থাকায় ভেতরে মানুষের শরীরের মতো কিছু দেখতে পেয়ে তারা কাছে যান। পরে এক নারীর মরদেহ দেখতে পেয়ে থানায় খবর দেন তারা।
পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে।
শ্রীবরদী থানার ওসি নুরুল আলম বলেছিলেন, “নিহত নারীর মাথার বিভিন্ন স্থানে কাটা এবং শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, সেতুর ওপর থেকে মরদেহটি নিচে ফেলে দেওয়া হয়েছে।”
শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান জানিয়েছিলেন, এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তবে ঝিনুক আক্তারকে কীভাবে হত্যা করা হয়েছে, কিংবা তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ কী, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে।
পিবিআই এর পুলিশ সুপার পঙ্কজ দত্ত বলেন, এ ঘটনার কারণ জানতে পিবিআই কাজ করছে। এ ঘটনার সঙ্গে যে বা যারাই জড়িত থাকুক না কেন, তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে।
