০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রতিটি উপজেলায় স্টেডিয়াম, ইউনিয়নে খেলার মাঠের উদ্যোগ: প্রতিমন্ত্রী

পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায়ও ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ তৈরি করতে চায় সরকার।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 01 Oct 2026, 07:03 PM

Updated : 01 Oct 2026, 07:03 PM

প্রতিটি উপজেলায় একটি করে স্টেডিয়াম এবং প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।

তিনি বলেন, “মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে খেলাধুলা। আর খেলাধুলার জন্য মাঠের প্রয়োজন। ইতোমধ্যে আমাদের সরকার প্রতিটি উপজেলায় একটি করে স্টেডিয়াম এবং প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ তৈরির পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।”

বৃহস্পতিবার দুপুরে ভোলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর আয়োজিত ফ্রিল্যান্সিং ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন,“পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এসব মাঠে আমাদের আগামী প্রজন্ম খেলবে এবং নিজেদের সুস্থভাবে গড়ে তুলবে।”

খেলোয়াড়দের বিষয়ে আমিনুল হক বলেন, “আমাদের খেলোয়াড়দের পেশাগত স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য ক্রীড়া ভাতা ও ক্রীড়া কার্ড প্রদান করছি। পড়াশোনা করে শুধু ডাক্তার, প্রকৌশলী বা ব্যারিস্টার হতে হবে না। পড়াশোনার পাশাপাশি খেলোয়াড় হিসেবেও যেন নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে, সেই লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করছি।”

তিনি বলেন, “‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর মাধ্যমে তৃণমূলের খেলোয়াড়দের প্রতিভা খুঁজে বের করে বিকেএসপিতে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ভর্তি করানো হচ্ছে। তাদের খেলাধুলা ও পড়াশোনার সব দায়িত্ব সরকার বহন করছে। প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের জাতীয় পর্যায়ে গড়ে তুলে মাঠে নামানোই আমাদের লক্ষ্য।”

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “চতুর্থ শ্রেণি থেকেই আমাদের নতুন শিক্ষাক্রমে ‘খেলাধুলা’ নামে একটি বই সংযোজন করা হচ্ছে। পাঠ্যপুস্তকে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে আগামী প্রজন্মকে খেলাধুলায় উদ্বুদ্ধ করতে চাই।”

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক শামীম রহমানের সভাপতিত্বে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুগ্ম সচিব শেখ মো. জোবায়েদ হোসেন, ভোলা জেলা পরিষদ প্রশাসক গোলাম নবী আলমগীর ও পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার বক্তব্য দেন।

অনুষ্ঠান শেষে ১৮ জন সফল ফ্রিল্যান্সারকে ল্যাপটপ ও স্মার্টফোন দেওয়া হয়।