১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪ আশ্বিন ১৪৩৩

গুদাম থেকে ‘২৫০ টন চাল’ গায়েব, খাদ্য পরিদর্শক আটক

মুন্সীগঞ্জের ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গুদাম থেকে ‘২৫০ টন চাল’ গায়েব, খাদ্য পরিদর্শক আটক

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার রসুলপুর খাদ্য গুদাম এলাকা।

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 21 Mar 2024, 09:16 PM

Updated : 21 Mar 2024, 09:16 PM

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার রসুলপুর খাদ্য গুদাম থেকে চাল সরানোর অভিযোগে এক খাদ্য পরিদর্শককে আটক করেছে পুলিশ। এ ছাড়া খাদ্য গুদামের চার নম্বর ভবনটি সিলগালা করেছে প্রশাসন।

গুদাম থেকে প্রায় ২৫০ টন চাল সরানো হয়েছে; যার আনুমানিক বাজার মূল্য এক কোটি ১৫ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে ওই কর্মকর্তাকে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে; তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কোহিনুর আক্তার।

এ ঘটনার পর খাদ্য গুদাম এলাকায় বাহির থেকে কোনো গাড়ি এবং গুদাম সংশ্লিষ্টদের প্রবেশে সাময়িকভাবে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন।

আটক সৈয়দ সফিউল আজম গজারিয়া উপজেলা খাদ্য পরিদর্শকের দায়িত্বে ছিলেন। তিনি ঢাকার দারুস সালাম এলাকার বাসিন্দা।

Image

গজারিয়া উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক সৈয়দ সফিউল আজম।

গজারিয়া উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা আনোয়ার পারভেজ বলেন, “দায়িত্ব গ্রহণের পর ১৯ মার্চ রসুলপুর খাদ্য গুদাম পরিদর্শনে যাই। সেখানে চার নম্বর ভবন পরিদর্শনের সময় মজুদ চালের পরিমাণ কম দেখতে পাই।

“মজুদ চালের পরিমাণ ৪৩১ টন হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক কম পাওয়া যায়। বিষয়টি সন্দেহ হলে খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারি, এখান থেকে বেশ কিছু চালের বস্তা সরিয়ে ফেলা হয়েছে।”

পরে বিষয়টি লিখিত আকারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এবং ইউএনওকে অবহিত করার কথা জানান আনোয়ার পারভেজ।

ইউএনও কোহিনুর আক্তার বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর অভিযানে গিয়ে গুদামে মজুদ থাকা চালে বড় ধরনের গরমিল পাওয়া যায়। পরে গুদামের দায়িত্বে থাকা খাদ্য পরিদর্শক শফিউল আজমকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।

এ ঘটনায় উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা বাদী হয়ে থানায় মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন গজারিয়া থানার ওসি রাজিব খান।