সিলেটের দুই কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ‘তুলনামূলক কম’
স্থানীয় কয়েকজন বলেন, কেন্দ্রে ‘গণ্ডগোল’ হতে পারে এমন আশঙ্কা থেকেই অনেক স্থানীয় ভোটার ভোট দিতে যাননি।
শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সিলেটে চলছে সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। সকাল থেকেই বেশিরভাগ কেন্দ্রে ভোটারদের ভীড় লক্ষ্য করা গেছে।
বুধবার সকাল থেকে কোনো কোনো কেন্দ্রে দীর্ঘ সারিতে দাঁড়িয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য অপেক্ষা করতে দেখা গেছে ভোটারদের।
তবে ব্যতিক্রম নগরীর শিবগঞ্জ এলাকার সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয় এবং সৈয়দ হাতেম আলী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র দুটি।
এ দুটি কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি নেই বললেই চলে। সকাল থেকে কেন্দ্রদুটিতে ভোটারদের লাইন বা ভীড় দেখা যায়নি।
জানতে চাইলে সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মো. মিসবাহ আহমেদ বলেন, “এই কেন্দ্রের ভোট ভোটার সংখ্যা এক হাজার ৭৬১ জন। তবে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৩৫০টি। কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি কম। তবে কী কারণে কম তা বলতে পারব না।”
নির্বাচনের আগে সিলেটের ‘গুরুত্বপূর্ণ’ কেন্দ্রের যে তালিকা পুলিশের পক্ষ থেকে করা হয়েছিল, এ দুটি কেন্দ্রের নাম সেখানে ছিল।
স্থানীয় কয়েকজন বলেন, কেন্দ্রে ‘গণ্ডগোল’ হতে পারে এমন আশঙ্কা থেকেই অনেক স্থানীয় ভোটার ভোট দিতে যাননি।
যদিও এই কেন্দ্রের ফটকে অনেক মানুষের উপস্থিতি দেখা গেছে।
যে কারণে ভোটাররা ‘গণ্ডগোলে’র শঙ্কা করছেন তার কারণ হিসেবে উঠে এসেছে আওয়ামী লীগের দুই ‘হেভিওয়েট’ কাউন্সিলর প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতার কথা।
সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্ত্রে ২০ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থীর ভাগ্য যাচাই হবে। এই ওয়ার্ডের প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বী হলেন তিনবারের কাউন্সিলর ও মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আজাদুর রহমান আজাদ এবং জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মিঠু তালুকদার।
একই অবস্থা নগরীর ২১ নম্বর ওর্য়াডের সৈয়দ হাতিম আলী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। এখানেও ভোটার উপস্থিতি একেবারেই কম।
এই কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার সরকার জানান, এই কেন্দ্রে মোট ভোটার দুই হাজার ৫৩০ জন। তবে তিন ঘণ্টায় ভোট পড়েছে ৪০০টির মতো।
তিনি বলেন, “সকাল থেকেই কম আসছেন ভোটার। এ কেন্দ্রটিকে প্রশাসন গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে রেখেছে।”
নগরীর ১৯০টি কেন্দ্রে সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়, যা একটানা চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। এ সিটিতে ভোটার রয়েছেন ৪ লাখ ৮৭ হাজার ৭৫৩ জন; সব কেন্দ্রেই এবার ইভিএমে ভোট হচ্ছে।
