Published : 20 Oct 2025, 07:10 PM
সাংবাদিক ওবায়দুর মাসুমের ওপর হামলার ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার কথা বলছে পুলিশ।
সোমবার দুপুরে ওবায়দুর মাসুম নরসিংদীর মাধবদী থানায় সাধারণ ডায়েরি করার পর ওসি মো. নজরুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে এ কথা বলেন।
ওবায়দুর মাসুমের সঙ্গে কথা বলার বরাতে ওসি নজরুল বলেন, “হামলাকারীরা হেলমেট পরিহিত থাকার কারণে তাৎক্ষণিক কাউকে চিনতে পারেননি তিনি। জেলার সীমান্তবর্তী স্থানে এ হামলার ঘটনায় কোনো প্রত্যক্ষদর্শীও ছিলেন না।
“তবে পেশাগত কারণে তার ওপর হামলা হয়েছে কিনা, বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হবে। পুলিশ ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনবে।”
রোববার ঢাকার কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরার পথে রাত সাড়ে ১০টার দিকে মাধবদী থানাধীন কান্দাইল এলাকায় বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম এর জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ওবায়দুর মাসুমের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নরসিংদী ১০০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান।
নরসিংদী জেলা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক আবু হাসনাত মো. সায়েম বলেন, “সাংবাদিক ওবায়দুর মাসুমের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। জরুরি বিভাগে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।”
ওবায়দুর মাসুম বলেন, তিনি প্রায়ই অফিস শেষে ঢাকা থেকে বাইক চালিয়ে নরসিংদীর মাধবদীতে নিজ বাড়িতে চলে যান। রোববার রাতেরও অফিস থেকে বের হয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের মাধবদী থানার কান্দাইল এলাকায় হঠাৎ দুটি বাইকে চার-পাঁচজন এসে তার গতিরোধ করে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই একটি বাইক থেকে দুজন নেমে তার পিঠে, বাহুতে ও ডান পায়ে লাঠি দিয়ে সজোরে আঘাত করে। তখন হামলাকারীদের একজন বলেন.... ‘খুব বড় সাংবাদিক হইছে’। হামলাকারীরা তার বাইকের সামনের অংশও ভাঙচুর করে। পরে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে বাইক দুটি ঘুরিয়ে ঢাকার দিকে চলে যায়।
ওবায়দুর মাসুমের দাবি, তার সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ ছিল, এসবের কিছুই নেয়নি হামলাকরীরা। ফলে ঘটনাটি ছিনতাইয়ের চেষ্টাও মনে করছেন না তিনি।
“পেশাগত কারণে এমনটা হতে পারে, এছাড়া কোনো কারণ দেখছি না,” বলেন ওবায়দুর মাসুম।
আরো পড়ুন:রাতে নরসিংদীতে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোরের প্রতিবেদকের ওপর হামলা