২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪ আশ্বিন ১৪৩৩

টাঙ্গাইলে নির্বাচন অফিসে ‘হামলা-ভাঙচুর’, আহত ৪

“হামলাকারীরা অফিসের জানালাসহ বেশ কিছু জিনিস ভাঙচুর করে।”

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 10 Nov 2025, 04:42 PM

Updated : 26 Aug 2026, 05:42 PM

টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলা নির্বাচন অফিসে হামলা-ভাঙচুর ও কর্মকর্তাসহ চারজনকে মারধরের উঠেছে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।

সোমবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন।

এ ঘটনায় আহতরা হলেন- উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, ডেটা এন্টি অপারেটর আমজাদ হোসেন, সহকারী নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আবু রায়হান ও স্ক্যানিং অপারেটর সুমন।

উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, হঠাৎ করে বিএনপির নেতাকর্মীরা নির্বাচন অফিসে এসে নির্বাচন কর্মকর্তার ওপর হামলা করে। পরে অফিসের আরও তিন জন স্টাফকেও মারধর এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে তারা।

গোপালপুর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, “কিছু বুঝে ওঠার আগেই উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী লিয়াকত ও পৌর বিএনপির সভাপতি খালিদ হাসানের নেতেৃত্বে হামলা চালানো হয়।

“এ ঘটনায় আমিসহ অফিসের চারজন আহত হয়েছে। হামলাকারীরা অফিসের জানালাসহ বেশ কিছু জিনিস ভাঙচুর করে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে গোপালপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী লিয়াকত বলেন, “এক ব্যক্তির ভোটার আইডি কার্ড সংক্রান্ত বিষয়ে নির্বাচন অফিস থেকে টাকা চাওয়া হয়। দুপুরে নির্বাচন অফিসের পাশ দিয়েই দিয়েই যাচ্ছিলাম। তখন সেখানে ঢুকে নির্বাচন কর্মকর্তাকে আমার পরিচয় দেই। কিন্তু নির্বাচন কর্মকর্তা আমাদের সঙ্গে হাত মেলায়নি।”

তার ভাষ্য, “এ সময় নির্বাচন কর্মকর্তা চেয়ার থেকে উঠে অন্য রুমে গিয়ে স্টাফদের ডেকে এনে ভিডিও করতে বলেন। পরে এক স্টাফ এসে মোবাইলে ভিডিও ধারণ করে। তাকে ভিডিও করতে নিষেধ করা হয়।

“কিন্তু নির্বাচন অফিসে ভাঙচুর বা কোনও স্টাফকে মারধর করা হয়নি। অফিস থেকে বের হওয়ার সময় দরজার থাই গ্লাস ভেঙে পড়ে।”

গোপালপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মামুন চৌধুরী বলেন, “ঘটনাটি তেমন গুরুতর নয়। দুপক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হয়েছে। অফিসের কাচের জানালা ভাঙা হয়েছে।”

বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।