১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

সিদ্ধিরগঞ্জে বিস্ফোরণ: দগ্ধ হয়েছেন দুই বোন ও তাদের স্বামী-সন্তান

রেফ্রিজারেটরের কম্প্রেসার বিস্ফোরিত হয়ে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 23 Aug 2025, 01:44 PM

Updated : 26 Aug 2026, 01:38 PM

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে আগুনে যারা দগ্ধ হয়েছেন, তারা আপন দুই বোন ও তাদেরই স্বামী-সন্তান বলে জানিয়েছেন এক প্রতিবেশী।

শুক্রবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে পাইনাদী পূর্বপাড়া এলাকার একটি টিনশেড বাসায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

দগ্ধরা হলেন- পটুয়াখালীর বাউফলের আসমা বেগম (৩৫), তার স্বামী তানজিল ইসলাম (৪০), তাদের মেয়ে তিশা (১৭) ও ছেলে আরাফাত (১৫); আসমার বোন সালমা বেগম (৩২), তার স্বামী হাসান (৪০), মেয়ে মুনতাহা (৮), জান্নাত (৪) ও এক মাস বয়সী ছেলে ইমাম উদ্দিন।

প্রতিবেশী মামুন বলেন, আসমা-সালমাদের বাবা আব্দুর রশিদ এ বাড়ির তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন। কিছুদিন আগে রশিদ মারা যান। তার তিন মেয়ে, জামাই ও নাতি-নাতনি পাশাপাশি তিনটি কক্ষে ভাড়া থাকতেন।

“রাতে বিকট শব্দের বিস্ফোরণের শব্দ শুনি। বাসা থেকে বেরিয়ে আগুন দেখতে পাই। পরে স্থানীয় ও আহতদের স্বজনরা মিলে দগ্ধদের হাসপাতালে পাঠান।”

আহতদের মধ্যে আটজনকে ঢাকায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। সামান্য আহত হওয়ায় তানজিল ইসলামকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

আদমজী ফায়ার স্টেশনের জ্যেষ্ঠ স্টেশন কর্মকর্তা মীরন মিয়া জানান, খবর পেয়ে নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভায়। তার আগেই দগ্ধদের হাসপাতালে নিয়ে যান স্থানীয়রা।

ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা মীরন বলেন, “টিনশেডের একটি ঘরে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে রেফ্রিজারেটরের কম্প্রেসার বিস্ফোরিত হলে আগুন ধরে যায়। আগুন পাশের ঘরেও ছড়িয়ে পড়লে- দুই ঘরে থাকা লোকজন দগ্ধ হন।”

আহতদের মধ্যে আসমার শরীরের ৪৮ শতাংশ, তিশার ৫৩ শতাংশ, আরাফাতের ১৫ শতাংশ, সালমার ৪৮ শতাংশ, হাসানের ৪৪ শতাংশ, মুনতাহার ৩৭ শতাংশ, জান্নাতের ৪০ শতাংশ ও ইমামের ৩০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে বলে জানিয়েছেন বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান।

সিদ্ধিরগঞ্জে গ্যাসের আগুনে শিশুসহ দগ্ধ ৮