Published : 27 Jul 2026, 04:27 PM
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রাকে ঘিরে দলের কয়েকজন নেতার কুশপুতুল বৈদ্যুতিক তারে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
একই এলাকার সভাস্থলের কাছ থেকে একটি বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার সকালে স্থানীয়দের দেওয়া খবরের ভিত্তিতে তিনটি কুশপুতুল উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছেন গাংনী থানার ওসি মোহাদ্দিদ মুর্শেদ চৌধুরী।
পুলিশ জানায়, সকাল সাড়ে ৭টার দিকে গাংনী পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মুক্তিযোদ্ধা ভবন-সংলগ্ন বৈদ্যুতিক খুঁটি এবং পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয়ের সামনে তারে ঝুলন্ত কুশপুতুল দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে পুলিশ সেগুলো উদ্ধার করে।
সেগুলো ছিল বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ, সারজিস আলমসহ কয়েকজনের।
কুশপুতুলের গায়ে লেখা ছিল, “তরুণ সমাজকে ললিপপ হাতে ধরিয়ে, দেশ নিল রসাতলে। এদের প্রতিহত করুন, এদের ঘৃণা করুন।”
এদিকে একই দিন সভাস্থলের কাছ থেকে একটি ব্যাগে রাখা বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার করা হয়। ওই বস্তুর গায়ে লেখা ছিল, “সময় থাকতে পালিয়ে যা। নইলে এ দেশে তোদের ভয়াবহ করুণ পরিণতি অপেক্ষা করছে।”
সোমবার বিকালে গাংনী বাসস্ট্যান্ড চত্বরে এনসিপির পদযাত্রা হওয়ার কথা রয়েছে। কর্মসূচিকে ঘিরেই এ ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করছেন দলটির স্থানীয় নেতারা।
এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সমন্বয়ক ও মেহেরপুর জেলা সমন্বয়কারী শাকিল আহমেদ বলেন, “এনপিসিপির পদযাত্রাকে ঘিরে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। সেটিকে কেন্দ্র করে একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ মানুষের মাঝে ভীতি সৃষ্টি করার জন্য কুশপুতুল ঝুলিয়েছে। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ব্যবস্থা নেবে।”
ওসি মোহাদ্দিদ মুর্শেদ চৌধুরী বলেন, “আতঙ্ক ছড়ানোর জন্য এ ধরনের ঘটনা ঘটানো হয়ে থাকতে পারে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। উদ্ধার করা বোমাসদৃশ বস্তুটি নিষ্ক্রিয় করার জন্য থানায় পানিভর্তি বালতিতে রাখা হয়েছে।”
তিনি বলেন, ঘটনার পর গাংনী শহরে পুলিশি টহল বাড়ানো হয়েছে।