চাঁদপুরে চালককে হত্যার ২০ দিন পর ইজিবাইক উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৭
গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি ও চালকের মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ।
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় এক ইজিবাইক চালককে হত্যা মামলায় সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় উদ্ধার করা হয়েছে হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি, ইজিবাইক ও চালকের মোবাইল ফোন।
বুধবার নিজ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান চাঁদপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।
গ্রেপ্তাররা হলেন- চাঁদপুর সদর উপজেলার তরপুরচণ্ডী এলাকার মো. জহির প্রকাশ বাবলা (৪৫), মতলব দক্ষিণ উপজেলার মো. আনিছুর রহমান (২৫), একই উপজেলার মো. রাজু বেপারী (২৫), মো. রাকিব (২৩), মো. আমির হোসেন হানজালা (২৫), নরসিংদীর পলাশ উপজেলার চরসিন্দুরের কবির হোসেন (৩৫) এবং দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার মতুল্লাপুর এলাকার হামিদুর রহমান (৪১)।
নিহত ইজিবাইক চালক মো. সাব্বির হোসেন (১৮) কচুয়া উপজেলার পালাখাল ইউনিয়নের ভূঁইয়ারা গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম বলেন, ২৪ জানুয়ারি বিকালে সাব্বির তার ইজিবাইক নিয়ে বের হয়ে রাতে আর বাড়ি ফেরেনি। পরদিন তার মা জাহানারা বেগম থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন। পরে বিকালে ওই ইউনিয়নের সেঙ্গুয়া থেকে হাত পা বাঁধা সাব্বিরের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় ২৬ জানুয়ারি সাব্বিরের মা অজ্ঞাত পরিচয়দের আসামি করে থানায় হত্যা মামলা করেন বলে জানান পুলিশ সুপার।
তিনি বলেন, মামলা গ্রহণের পর তদন্ত শুরু করে পুলিশ। পরে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রথমে হানজালাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা পর্যন্ত চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জে অভিযান চালিয়ে অন্যদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের বরাতে পুলিশ সুপার বলেন, সাব্বির হত্যায় নয়জন জড়িত ছিলেন। এরমধ্যে সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।
বুধবার দুপুরে গ্রেপ্তারদের আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান এসপি সাইফুল ইসলাম।
এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাশেদুল হক চৌধুরী, সহকারী পুলিশ সুপার (কচুয়া-সার্কেল) মো. রিজওয়ান সাঈদ জিকু, কচুয়া থানার ওসি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. দেলোয়ার হোসেন রাজিব উপস্থিত ছিলেন।
