Published : 08 Sep 2025, 09:17 PM
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় পুলিশ ক্যাম্পে সশস্ত্র হামলার ঘটনায় এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
সোমবার বিকালে নারায়ণগঞ্জের আদমজীতে র্যাব-১১ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন সংবাদ সম্মেলনে বলেন, রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে আক্তার সরকারকে কুমিল্লার তিতাস এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
৫০ বছর বয়সী আক্তার সরকার গজারিয়ার শিমুলিয়ার আব্দুল মজিদ সরকারের ছেলে।
র্যাবের অধিনায়ক বলেন, “পুলিশ ক্যাম্পে সশস্ত্র ডাকাতদের হামলা, গোলাগুলি ও হাতবোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িত নয়ন-পিয়াস বাহিনীর অন্যতম সদস্য আক্তার সরকার। তিনি চারটি হত্যা, ডাকাতি, মাদক অপহরণসহ ২৭টি মামলার আসামি এবং মেঘনার শীর্ষ নৌ-ডাকাত।”
অভিযানে আক্তারের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ক্যাম্পে হামলায় ব্যবহৃত বিশেষ ইঞ্জিনচালিত নৌকা, পাঁচটি পিতলের তৈরি নৌকার পাখা, দুটি চুম্বক, একটি বাইনোকুলার, একটি ছোরা এবং ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত আরও সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয় বলেও জানান র্যাব কর্মকর্তা।
তিনি আরও জানান, রোববার সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের পেরাব এলাকা থেকে মাসুদ ওরফে শ্যুটার মাসুদকে (২৮) গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, ছয়টি গুলি, দুই বোতল হুইস্কি ও ৫৮ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
এদিকে র্যাবের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২৭ জুলাই সোনারগাঁয়ের নোয়ার্দ্দা বাবুবাজার এলাকায় কাপড় ব্যবসায়ী রাকিবকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়, যেখানে দেখা যায় মাসুদ কোমর থেকে পিস্তল বের করে রাকিবকে লক্ষ্য করে দুটি গুলি করেন।
র্যাব জানায়, মাসুদ তার বাহিনী নিয়ে সোনারগাঁও ও আড়াইহাজার এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি, ছিনতাই, ডাকাতি ও মাদক ব্যবসায় জড়িত ছিল। স্থানীয় এলাকায় অস্ত্রের শোডাউন দেখিয়ে তিনি আতঙ্ক সৃষ্টি করতেন। তার বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, মাদকের অন্তত সাতটি মামলা রয়েছে।
৩ সেপ্টেম্বর একই গ্রুপের আরেক সদস্য রিয়াজ ওরফে শ্যুটার রিয়াজকে সিলেটের গোয়াইনঘাট এলাকা হতে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানায় র্যাব।