ধর্ষণের প্রতিবাদ করায় মাদ্রাসা ছাত্রকে হত্যা করেন চাচা: পুলিশ
গত ১৭ ডিসেম্বর গাইবান্ধা থেকে নিখোঁজের পরদিন আলাই নদীর তীর থেকে ওই শিশু মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
ধর্ষণের প্রতিবাদ করায় গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় মাদ্রাসাছাত্র ভাতিজাকে শ্বাসরোধ করে তার আপন চাচা হত্যা করেন বলে তদন্তে বের করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের চাচাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার বিকালে গোবিন্দগঞ্জ থানা চত্বরে সংবাদ সম্মেলনে গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) ইবনে মিজান এ তথ্য জানান।
গ্রেপ্তার ইমরান আকন্দ (২৮) সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়নের পশ্চিম দুর্গাপুর ভুতমারা গ্রামের বাসিন্দা। মঙ্গলবার রাতে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
নিহত সাব্বির হোসেন (১২) একই গ্রামের আনিছুর রহমানের ছেলে। সে স্থানীয় হাফেজিয়া মাদ্রাসার ছাত্র ছিল।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারের কাছে পাওয়া তথ্যের বরাতে ইবনে মিজান বলেন, “সাব্বিরকে প্রায় তিন বছর ধরে ধর্ষণ করে আসছিলেন ইমরান। সম্প্রতি এ থেকে রক্ষা পেতে ঘটনাটি স্বজনদের কাছে প্রকাশ করার ভয়ভীতি দেখায় সাব্বির।
“এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ১৭ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ৭টার দিকে সাব্বিরকে বাড়ির পশ্চিম পাশে কলার ক্ষেতে ডেকে নিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন ইমরান। পরে লাশ গোবিন্দগঞ্জের হরিরামপুর এলাকার আলাই নদীর তীরে ঝোপের নিচে ফেলে দেন তিনি।”
সংবাদ সম্মেলনে সহকারী পুলিশ সুপার (সি-সার্কেল) উদয় কুমার সাহা, গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি শামসুল আলম শাহ্ এবং পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুল মোত্তালেব সরকার উপস্থিত ছিলেন।
গত ১৭ ডিসেম্বর সাব্বির নিখোঁজ হয়। পরদিন আলাই নদীর তীর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
