Published : 21 May 2016, 12:06 PM
রাঙ্গাবালী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তপন কুমার ঘোষ জানান, শনিবার সকালে বেড়ি বাঁধ ভেঙে উপজেলার চরমনতাজ ইউনিয়নের বউবাজার গ্রাম, লঞ্চঘাট ও চরআন্ডা এলাকা প্লাবিত হয়।
রাঙ্গাবালী ছাড়াও দশমিনা ও গলাচিপা উপজেলার বিচ্ছিন্ন কয়েকটি বেড়িবাঁধ বিহীন চরে বেশকিছু কাঁচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে বলে জানান তিনি।
এদিকে সকালে প্রবল ঝড়ো হাওয়ার মধ্যে ঘর ভেঙে দশমিনা উপজেলার সদর ইউনিয়ন লক্ষ্মীপুর গ্রামের নয়া বিবি (৫২) নামের এক নারী নিহত হন বলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আজহারুল ইসলাম জানান।
এ ছাড়া ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে জেলায় কয়েকশ ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। লক্ষ্মীপুর গ্রামেরই অন্তত ১৫টি বাড়িঘর বিধ্বস্ত হয়েছে।
এছাড়া শনিবার রাত ৩টা পর্যন্ত মাত্র দেড় ঘণ্টায় ১০৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে বলে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তপন কুমার ঘোষ জানান।
তিনি বলেন, স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৪ থেকে ৫ ফুট পানি বেড়ে যাওয়ায় চরাঞ্চলসহ জেলার নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে । সকাল থেকে ওই এলাকার লোকজনকে আশ্রয় কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
এদিকে কুয়াকাটা-সোনারচর সংলগ্ন দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে উত্তাল হওয়ায় মানুষের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।
জেলা প্রশাসক এ কে এম শামিমুল হক ছিদ্দিকী বলেন, প্লাবিত হয়ে কী পরিমাণ ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে সে বিষয়ে খোঁজ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের তালিকা পাঠাতে বলেছি।