Published : 16 Feb 2016, 06:59 PM
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসমিন আক্তার সাংবাদিকদের জানান, সোমবার বিকালে শিকারপুর গ্রামের শাহ আলম তার বাড়ির আঙ্গিনায় নতুন ঘর তৈরির জন্য মাটি খননকালে মুদ্রাগুলো পান।
তবে এসব মুদ্রা সেখানে কোথা থেকে বা কীভাবে এল সে বিষয়ে প্রশাসন কিছু জানাতে পারেনি। মুদ্রাগুলো কোন সময়ের তাও কেউ নিশ্চিত করতে পারেনি বলে জামান ইউএনও।“বিষয়টি প্রত্নতত্ত্ব বিভাগকে জানিয়ে মাটির হাঁড়িসহ ৫৫৫টি মুদ্রা সিলগালা করে সংরক্ষণ করা হয়েছে,” বলেন নির্বাহী কর্মকর্তা।
ওই বাড়ির মালিক শাহ আলম বলেন, তার পূর্বপুরুষের কেউ মুদ্রাগুলো সংগ্রহ করে মাটির নিচে লুকিয়ে রেখেছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।