Published : 11 Aug 2026, 11:18 PM
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় অভিযোগ তদন্তে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন পুলিশের পাঁচ সদস্য। এ ঘটনায় নারীসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে বসুরহাট পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মওদুদ স্কুল রোড এলাকার এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ নূরুল হাকিম।
হামলায় আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন- কোম্পানীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মঞ্জুর আহামেদ, এসআই আরিফ মহিউদ্দিন, কনস্টেবল মো. ইছাক, মো. ইউছুফ ও শাহাদাত হোসেন। তাদেরকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ জানায়, দারুল ইহছান মাদরাসার চেয়ারম্যান মো. নূরুল আবছার এলাকার মানিক মিয়াসহ সাতজনের নাম দিয়ে অজ্ঞাত আরও ৯-১০ জনের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি, প্রাণনাশের হুমকি ও ক্ষতি সাধনের অভিযোগ করেন।
দুপুর ১টার দিকে অভিযোগ তদন্তে পরিদর্শক (তদন্ত) মঞ্জুর আহামেদ, এসআই আরিফ মহিউদ্দিনসহ পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান। তদন্ত শেষে তারা থানার দিকে রওনা দেন। তখন খবর পান, মাদ্রাসার নির্মাণাধীন ভবনের সিসি ক্যামেরা ভাঙচুর করা হচ্ছে।
তখন পুলিশ সদস্যরা আবার ঘটনাস্থলে যান। এ সময় পুলিশ সদস্যদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ এবং তাদের লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয়।
পরে হামলায় জড়িত সন্দেহে ছেমনা খাতুন, বিয়াধুনি, মনোয়ারা, আয়েশা, অজিউল্লা, আবু সুফিয়ান ও জাবের নামে সাতজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ নূরুল হাকিম বলেন, এ ঘটনায় পরিদর্শক (তদন্ত) মঞ্জুর আহামেদ বাদী হয়ে পুলিশের ওপর হামলা ও কর্তব্য কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে মামলা করেছেন। মামলায় গ্রেপ্তার সাতজনসহ অজ্ঞাত আরও ২০-২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
পুলিশের ভাষ্য, মাদরাসার নির্মাণাধীন ভবনের জায়গাটি নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। বিবাদী পক্ষ জায়গাটিতে মৌরসী স্বত্ব দাবি করে নোয়াখালীর দায়রা জজ আদালতে মামলা করেছে।
অপরদিকে, মাদ্রাসাপক্ষ জায়গাটি ক্রয়সূত্রে মালিক বলে দাবি করছে।