২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪ আশ্বিন ১৪৩৩

সিলেটে ছাত্রলীগকর্মী আরিফ হত্যায় কাউন্সিলর নিপু কারাগারে

২০২৩ সালের ২০ নভেম্বর গভীর রাতে নগরীর বালুচরে ছুরিকাঘাতে নিহত হন আরিফ।

সিলেটে ছাত্রলীগকর্মী আরিফ হত্যায় কাউন্সিলর নিপু কারাগারে
সিলেট সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর হিরণ মাহমুদ নিপু।

সিলেট প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 14 Jul 2024, 07:49 PM

Updated : 26 Aug 2026, 10:00 AM

ছাত্রলীগকর্মী আরিফ হত্যা মামলার প্রধান আসামি সিলেট সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর হিরণ মাহমুদ নিপুকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। 

রোববার দুপরে সিলেট মহানগর হাকিম-২ এর বিচারক সগির আহমদ টুটুলের আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করেন নিপু। বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) সুজিত কুমার বৈদ্য।  

কাউন্সিলর হিরন মাহমুদ নিপু নিম্ন আদালতে হাজির হওয়ার শর্তে উচ্চ আদালত থেকে জামিনে ছিলেন। জামিনের মেয়াদ শেষে তিনি আত্মসমর্পণ করেন।  

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের ২০ নভেম্বর রাত ১২টার দিকে নগরীর বালুচরে ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হন আরিফ। আশঙ্কাজনক অবস্থায় সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে রাত দেড়টার দিকে তিনি মারা যান। আরিফ ওই এলাকার ফটিক মিয়ার ছেলে। 

আরিফকে ছুরিকাঘাতের সময় চিৎকার শোনে সেখানে দৌঁড়ে গিয়েছিলেন মা আঁখি বেগম। তিনি সাদা পাঞ্জাবি পরা কাউন্সিলর হিরণ মাহমুদ নিপুকে মোটরসাইকেলে উঠে ঘটনাস্থল থেকে যেতে দেখেছেন বলে দাবি করেন। 

সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নিপু গত বছর অনুষ্ঠিত সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ৩৬ নম্বর ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। তার নেতৃত্বেই আরিফকে কুপিয়ে ও ছুরিকাঘাত করে খুন করা হয়েছে বলে দাবি পরিবারের। ২২ নভেম্বর দায়ের করা মামলায় হিরণ মাহমুদ নিপুসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয় আরও পাঁচজনকে।

হামলার পর আরিফের মা আঁখি বেগম সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, ঘটনাস্থল থেকে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় তিনি ছেলেকে অটোরিকশায় নিয়ে হাসপাতালের পথে রওনা হন। যাওয়ার পথে ছেলে তাকে জানায়, হিরণ মাহমুদ নিপু, রনি, মামুন, হেলালসহ ১৫-২০ জন তার ওপর হামলা চালিয়েছে। 

আরিফ হত্যার দুদিন পর মা আঁখি বেগম বাদী হয়ে সিলেটের এয়ারপোর্ট থানায় মামলা করেন।