সেতুর নিচ দিয়েই পদ্মা পাড়ি দিচ্ছে মোটরসাইকেলবাহী ফেরি
শিমুলিয়া ঘাট থেকে সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টা পরপর ফেরি ছেড়ে যায়। আরোহীসহ বাইক প্রতি ভাড়া ১৫০ টাকা।
পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধ থাকায় ঈদে ঘরমুখো মানুষের বাহনটিকে পদ্মা পার করতে শিমুলিয়া-মাঝিরকান্দি নৌ-রুটে ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল ৬টার পর প্রথম টিপেই ফেরি ‘কলমিলতা’ ১৬৯টি মোটরসাইকেল নিয়ে শিমুলিয়া ঘাট থেকে ছেড়ে যায় বলে জানিয়েছেন শিমুলিয়া ঘাটের বিআইডব্লিউটিসির ম্যানেজার মো. জামাল হোসেন।
তিনি জানান, মোটরসাইকেল ভর্তি ফেরিগুলো পদ্মা সেতুর নিচ দিয়েই চলছে। শিমুলিয়া থেকে ছাড়া ফেরিগুলো সেতুর ২২ ও ২৩ নম্বর খুঁটির মাঝখান দিয়ে সেতু অতিক্রম করে আবার জাজিরা প্রান্তের ৩৯ ও ৪০ নম্বর খুঁটি দিয়ে বের হয়ে গন্তব্যে যাচ্ছে।
ফেরি কুঞ্জলতার মাস্টার সামসুল আলম বলেন, শিমুলিয়া-মাঝিরকান্দি আট কিলোমিটার দূরত্বের আগের চ্যানেলটি নাব্য সঙ্কটে বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে দুই দফা পদ্মা সেতু অতিক্রম করে ফেরিগুলো চলছে। তাই বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হচ্ছে।
শিমুলিয়া থেকে প্রাকৃতিক চ্যানেলে সাড়ে ১১ কিলোমিটার দূরত্বের মাঝিরকান্দি পৌঁছাতে প্রায় সোয়া ঘণ্টা সময় লাগছে বলেও জানান তিনি।
সময় কিছুটা বেশি লাগলেও ঈদে বিকল্পভাবে পদ্মা পার হতে পারায় খুশি বাইকাররা। প্রথম দিনই শত শত মোটরসাইকেল পার হতে দেখা গেছে। প্রতিটি ফেরিই মোটরসাইকেলে টইটুম্বুর হয়ে রওয়ানা দিতে দেখা যায়।
বিআইডব্লিউটিসির ম্যানেজার মো. জামাল জানান, পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধ থাকায় ঈদে ঘরমুখো মোটরসাইকেল আরেহীদের পদ্মা পার করতে সাত দিনের বিকল্প এই ব্যবস্থা। প্রায় আট মাস পর এই রুটে দুই ফেরি দিয়ে বিশেষ সার্ভিসটি চালু হয়েছে।
সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টা পরপর ফেরি ছেড়ে যায় ঘাট থেকে। আরোহীসহ বাইক প্রতি ১৫০ টাকা ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানান বিআইডব্লিউটিসির এই কর্মকর্তা।
