মানিকগঞ্জে শান্তিপূর্ণ সমাবেশে উসকানি দেওয়ার অভিযোগ ‘তাওহিদী জনতার’
“খানিক দূরে গিয়ে অবস্থান করতে থাকেন বাউলরা। তাদের সেখানে অবস্থান এক ধরনের নিরব উসকানি।”
বাউল আবুল সরকারের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে শান্তিপূর্ণ সমাবেশ উসকানি দিয়ে পণ্ড ও প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ‘তাওহিদী জনতা’।
মানিকগঞ্জ জেলার সর্বস্তরের আলেম-ওলামা ও ‘তাওহিদী জনতা’র ব্যানারে মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৩টায় মানিকগঞ্জ প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মানিকগঞ্জ জেলা হেফাজতে ইসলামের সহসভাপতি মো. মজিবুর রহমান।
এ সময় জেলার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুফতি মজিবুর রহমান, মাওলানা শামসুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ মাহবুবুর রহমান, সহআইন সম্পাদক ওমর ফারুক, তথ্য বিষয়ক সম্পাদক দেওয়ান তানজিল আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, “আল্লাহকে নিয়ে কটূক্তিকারী আবুল সরকারের মুক্তির দাবিতে দুই-এক জায়গায় ইন্টেরিম সরকারের কাছে দাবি পেশ করা হয়েছে। ওই সময়ে মানিকগঞ্জের ওলামায়ে কেরাম ও ‘তাওহিদী জনতা’ আশঙ্কা করে যে, আবুল সরকারের মুক্তি হয়ে যেতে পারে। এমন আশঙ্কা থেকে আবুল সরকারের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের দাবি নিয়ে মানিকগঞ্জের ওলামায়ে কেরাম ও ‘তাওহিদী জনতা’ রোববার সকাল ৯টায় বাসস্ট্যান্ড থেকে শান্তিপূর্ণ মিছিলের ঘোষণা দেন।
“মিছিল শেষে ডিসি মহোদয় ও এসপি মহোদয় বরাবর আমাদের দাবি-দাওয়া সম্বলিত একটি স্মারকলিপি প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। তাওহিদী জনতা ৯টা থেকে ১১টা এবং আবুল সরকারের সমর্থকরা সাড়ে ১১টার দিকে মানববন্ধন করার কথা ছিল। আমরা সকাল ৯টায় বাসস্ট্যান্ড থেকে শুরু করে শহর প্রদক্ষিণ করে সরকারি হাই স্কুল মাঠ সংলগ্ন শহীদ স্মৃতিস্তম্ভের দিকে যাচ্ছিলাম।
এতে বলা হয়, “তার খানিক দূরে গিয়ে অবস্থান করতে থাকেন বাউলরা। তাদের সেখানে অবস্থান এক ধরনের নিরব উসকানি। এক পর্যায়ে দূর থেকে তাদের মারমুখী অবস্থান দেখা গেছে। সামান্য কয়েক মিনিটের মধ্যেই দুর্ঘটনা ঘটে যায়। সেখানে আমাদের চারজন আহত হয় এবং তাদেরও চারজন আহত হয়।”
হেফাজতে ইসলামের জেলার সহআইন বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ ওমর বলেন, “গান-বাজনা নিয়ে আমাদের সমস্যা নেই। যে আল্লাহকে নিয়ে কটূক্তি করেছে, তাকে নিয়ে আমরা প্রতিবাদ করবই।”
আরও পড়ুন:
