Published : 03 Sep 2026, 03:51 PM
ঢাকার ধামরাইয়ে ১৪ বছর বয়সী সৎ মেয়েকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে ধর্ষণের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার দুপুরে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন ধামরাই থানার ওসি নাজমুল হুদা খান।
তিনি জানান, বুধবার রাতে স্থানীয় লোকজন ধামরাইয়ের কেলিয়া দক্ষিণ পাড়া এলাকায় ওই ব্যক্তিকে আটক করে মারধর করেন। খবর পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে গ্রেপ্তার করে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরীর মা বাদী হয়ে ধামরাই থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেছেন।গ্রেপ্তার আজাহারুল ইসলাম ওরফে কাওছার (৩৬) সিলেটের দক্ষিণ সুরমা থানার সমাসপুর সূতি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ধামরাইয়ের কেলিয়া দক্ষিণপাড়া এলাকায় স্ত্রী ও দুই সৎ মেয়েকে নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকতেন। পেশায় তিনি রংমিস্ত্রি।
মামলার এজাহারের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগী কিশোরীর মা একটি রেডিও সেন্টারে রান্নার কাজ করেন। আগের সংসারে তার দুই মেয়ে রয়েছে। প্রায় সাত বছর আগে আজাহারুল ইসলামের সঙ্গে তার বিয়ে হয়।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে আজাহারুল কৌশলে তার দুই সৎ মেয়েকে ঘুমের ওষুধ খাওয়ান। ওষুধ খেয়ে দুই বোন আলাদা ঘরে ঘুমিয়ে পড়ে। পরে রাত ৪টার দিকে তিনি তার স্ত্রীর হাত-পা রশি দিয়ে খাটের সঙ্গে বেঁধে মুখে স্কচ টেপ লাগিয়ে দেন। এরপর বড় মেয়ের কক্ষে ঢুকে তাকে ধর্ষণ করেন।
মামলায় বলা হয়েছে, এক পর্যায়ে ছোট মেয়ে তার মায়ের হাতের বাঁধন খুলে দিলে মা বড় মেয়েকে উদ্ধার করেন। পরে কিশোরী তার মাকে জানায়, এর আগেও একাধিকবার ভয়ভীতি দেখিয়ে সৎ বাবা তাকে ধর্ষণ করেছেন।
ওসি নাজমুল হুদা খান বলেন, “বিষয়টি জানাজানি হলে বুধবার রাতে স্থানীয় লোকজন উত্তেজিত হয়ে আজাহারুলকে আটক করে মারধর করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়।”