২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

পোস্টার ছাড়াই প্রার্থীদের মিছিল-শোডাউনে সরগরম নীলফামারী

নীলফামারীর চারটি আসনে ২৭ প্রার্থী ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

নীলফামারী প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 22 Jan 2026, 06:19 PM

Updated : 26 Aug 2026, 05:37 PM

এবারি প্রথম পোস্টার ছাড়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজন করা হয়েছে। তবে এতে প্রচারে একটুও ভাটা পড়ছেন না। বরং প্রার্থীদের মিছিল ও শোডাউনে সরগরম হয়ে উঠেছে নিজ নিজ আসন। 

নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পরদিন বৃহস্পতিবার থেকে নীলফামারীর চারটি আসনের ২৭ প্রার্থী প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছেন। সকাল থেকে প্রার্থীরা তাদের কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে নিজ নিজ নির্বাচনি এলাকা দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন।

বিশেষ করে বিএনপি ও বিএনপি জোট, জামায়াত ও জামায়াতের ১০ দলীয় জোট এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থীদের প্রচারে সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত।

এদিন বেলা ১১টায় নীলফামারী-২ আসনে বিএনপি প্রার্থীর নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হয়। জেলা শহরের ডিসির মোড় থেকে বিশাল একটি মিছিল প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ রুবেল চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। 

এর আগে সেখানে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন নীলফামারী-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন। মিছিলে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মীর সেলিম ফারুক, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল পারভেজ, রেয়াজুল ইসলাম কালু, সদস্যসচিব এ এইচ এম সাইফুল্লাহ রুবেল, সাবেক সভাপতি আ খ ম আলমগীর সরকার এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক জহুরুল আলমসহ বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকরা অংশ নেন।

অপরদিকে বিকালে এ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আল ফারুক আব্দুল লতিফের সমর্থনে শহরে এক বিশাল প্রচার মিছিল বের করা হয়। সেখানে জেলা উপজেলা জামায়াতের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। 

একইভাবে নীলফামারী-১ আসনে জামায়াতের প্রার্থী জেলা আমির মওলানা অধ্যক্ষ আব্দুস সাত্তারের পক্ষে ডোমার ও ডিমলায় বিশাল মিছিল ও শোডাউনে প্রচার শুরু করা হয়। 

একই আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী তছলিম উদ্দিনও পিছিয়ে ছিলেন না। তারও সমর্থনে মিছিলে মাধ্যমে প্রচার করতে দেখা গেছে। 

তবে এ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ এর প্রার্থী মো. মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দি (খেজুর গাছ) তার কর্মী বাহিনী দিয়ে প্রতিটি ইউনিয়ন ও পৌর এলাকায় লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে প্রচার শুরু করেন।

একইভাবে নীলফামারী-৩ আসনে বিএনপি প্রার্থী সৈয়দ আলী (ধানের শীষ), জামায়াতের ওবায়দুল্লাহ সালাফী (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির রোহান চৌধুরী (লাঙ্গল) প্রার্থীর পক্ষে মিছিল ও শোডাউন দিতে দেখা যায়।

একই অবস্থা ছিল নীলফামারী-৪ আসনেও। এখানে বিএনপি প্রার্থী মো. আব্দুল গফুর সরকার (ধানের শীষ), জামায়াতের আব্দুল মুনতাকিম (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির মো. সিদ্দিকুল আলম (লাঙ্গল) প্রচারের তুঙ্গে ছিল।

বলতে গেলে প্রতিটি রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা মাইকযোগে প্রচার ও লিফলেট বিতরণ শুরু করেছেন।