২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

জামালপুরে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ক্যাম্পে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ, বাইকে আগুন

আওয়ামী লীগের প্রার্থীর প্রধান এজেন্ট ঘটনার জন্য স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীদের দায়ী করেছেন।

জামালপুর প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 04 Jan 2024, 01:12 AM

Updated : 04 Jan 2024, 02:57 PM

জামালপুর-৫ সদর আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর তিনটি নির্বাচনি প্রচার কেন্দ্রে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে নৌকার সমর্থকদের বিরুদ্ধে। এ সময় তিনটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।

বুধবার রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার মহেশপুর কালীবাড়িতে স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম রেজনুর ঈগল প্রতীকের প্রচার কেন্দ্রে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

একই সময় গোলাপ আলী ও খড়খড়িয়ায় প্রচার কেন্দ্রেও হামলা-ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনার প্রতিবাদে এবং বিচার দাবিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকরা জামালপুর-ময়মনসিংহ সড়কের মহেশপুর কালীবাড়িতে গাছের গুঁড়ি ফেলে সড়ক অবরোধ করেন। 

স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম রেজনু অভিযোগ করেন, নৌকার সমর্থকরা ঈগলের প্রচার কেন্দ্রে সশস্ত্র হামলা চালায়। হামলায় তার ১০-১২ কর্মী আহত হয়েছেন। এ সময় তিনটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করেছে হামলাকারীরা।

নৌকার নিশ্চিত পরাজয় জেনে তারা হামলা করেছে- এমন মন্তব্য করে রেজনু বলেন, “ভোটারের উপস্থিতি কমানোর জন্য এ ধরনের ঘটনা ঘটানো হচ্ছে। যেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও পার্টির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের নির্বাচনকে উৎসবমুখর করতে এবং ভোটারের উপস্থিতি বৃদ্ধি করতে বলছেন, সেখানে জামালপুরে তার উল্টোটা করছেন নৌকার প্রার্থী। নৌকার প্রার্থী কালো টাকা ছড়িয়ে নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করছেন।”

তবে নৌকা প্রতীকের প্রধান এজেন্ট ও জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুহাম্মদ বাকী বিল্লাহ উল্টো নৌকার সমর্থকদের উপর স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীদের হামলার অভিযোগ করেছেন।

তিনি বলেন, “নৌকার প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ ওই এলাকায় নির্বাচনি প্রচার চালান। এ সময় ছাত্রলীগের তিন নেতা নৌকা ও ঈগলের প্রচার কেন্দ্রের মাঝামাঝি মোটরসাইকেল রাখেন।

“ঈগল প্রতীকের উচ্ছৃঙ্খল কর্মীরা ছাত্রলীগের নেতাদের তিনটি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দিয়েছে। এ সময় ছাত্রলীগের পাঁচজন আহতও হয়েছে।”

এ দিকে ঘটনার পর পরই আওয়ামী লীগ প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ তার ফেইসবুক পেইজে এক পোস্টে লিখেছেন, “জামালপুর সদর উপজেলার মহেশপুর কালীবাড়িতে মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ, নৌকার কর্মীদের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। ঘটনার মূল হোতা লুৎফুল কবির বাবুর দ্রুত গ্রেপ্তার দাবি জানাচ্ছি।”

সদর থানার ওসি মুহাম্মদ মহব্বত কবীর বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে।