১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদনে ‘রেকর্ড’

কেন্দ্রটি এই মাসে ৭৭১ দশমিক ৭০ মিলিয়ন ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে।

বাগেরহাট প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 02 Sep 2025, 09:39 PM

Updated : 26 Aug 2026, 02:13 PM

বাগেরহাটের রামপালে অবস্থিত মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ারের কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র অগাস্ট মাসে বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন ‘রেকর্ড’ করেছে। 

বিদ্যুৎকেন্দ্রটি এই মাসে ৭৭১ দশমিক ৭০ মিলিয়ন ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে, যা ৭৮ দশমিক ৫৮ শতাংশ পিএলএফ অর্জিত হয়েছে। 

মঙ্গলবার বাংলাদেশ ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি (প্রাইভেট) লিমিটেডের মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্ট কর্তৃপক্ষের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি (প্রাইভেট) লিমিটেডের উপ-মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) আনোয়ারুল আজিম স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এটি দেশের মোট ১০ হাজার ১০০ মিলিয়ন ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ৭ দশমিক ১৫ ভাগ অবদান রাখছে। গত তিন মাস ধরে কেন্দ্রটি ধারাবাহিকভাবে প্রতি মাসে ৬০০ মিলিয়ন ইউনিটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে যার মোট উৎপাদন দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ৩৬ দশমিক চার মিলিয়ন ইউনিট। 

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ ও ভারতের মৈত্রীর প্রতীক এই বিদ্যুৎকেন্দ্র আমদানিকৃত কয়লার উপর নির্ভরশীল হলেও আল্ট্রা-সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি ব্যবহার করছে এবং আধুনিক পরিবেশ সুরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করছে। স্থিতিশীল ও সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ সরবরাহের মাধ্যমে এই কেন্দ্র শিল্পায়ন বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি ও জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। 

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ২০২২ সালের ১৭ ডিসেম্বর প্রথম ইউনিট ও পরের বছরের ১ নভেম্বর দ্বিতীয় ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে যায়। এরপর বিভিন্ন সময়ে কয়লা সংকট ও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হয়। 

২০১০ সালে বাগেরহাট জেলার রামপাল উপজেলায় এক হাজার ৮৩৪ একর জমির উপর দুটি ৬৬০ ইউনিট করে মোট এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের চুক্তি স্বাক্ষর হয়। পিডিবির সঙ্গে ভারতের ন্যাশনাল থারমাল পাওয়ার করপোরেশন (এনটিপিসি) এই চুক্তি স্বাক্ষর করে।