২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

আচরণবিধি লঙ্ঘন: চাঁদপুর-৪ আসেন বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীকে শোকজ

দুই প্রার্থীর বিরুদ্ধেই ফেইসবুকে প্রচার চালানোর অভিযোগ করেছে নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটি।

আচরণবিধি লঙ্ঘন: চাঁদপুর-৪ আসেন বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীকে শোকজ
চাঁদপুর-৪ আসেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী বিল্লাল হোসেন মিয়াজী এবং বিএনপি প্রার্থী হারুনুর রশীদ।

চাঁদপুর প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 14 Jan 2026, 06:55 PM

Updated : 26 Aug 2026, 05:34 PM

নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে চাঁদপুর-৪ আসনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর দুই প্রার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিস (শোকজ) দিয়েছে নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি।

বুধবার বিকালে দুই প্রার্থীকে আলাদা আলাদাভাবে নোটিস পাঠানো হয় বলে জানান চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির চেয়ারম্যান সবুজ হোসেন।

শোকজ পাওয়ারা হলেন- জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের আমির মো. বিল্লাল হোসেন মিয়াজী এবং বিএনপির প্রার্থী মো. হারুনুর রশীদ।

নোটিসে বলা হয়, ৭ জানুয়ারি বিল্লাল হোসেন মিয়াজী নামের একটি ফেইসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে প্রার্থীর ছবি ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীক সংবলিত পোস্টার শেয়ার করা হয়; যেখানে ‘১২ তারিখ সারাদিন, দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিন’ লেখা ছিল।

এ ছাড়া বিল্লাল হোসেন মিয়াজী সমর্থক গোষ্ঠী নামে ফেইসবুক পেজ থেকে প্রতিনিয়ত নির্বাচনি প্রচারণা করা হচ্ছে; যা নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটির নজরে আসে।

অপরদিকে গত ৬ জানুয়ারি ফেইসবুকে ‘লায়ন মো. হারুনুর রশীদ’ নামের ভেরিফাইড অ্যাকাউন্ট থেকে প্রার্থীর ছবি ও ধানের শীষ প্রতীক সংবলিত পোস্টার শেয়ার করা হয়; যেখানে ‘হারুন ভাইয়ের সালাম নিন, ধানের শীষে ভোট দিন’ লেখা ছিল।

এ ছাড়া ওই ফেইসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে প্রতিনিয়ত নির্বাচনি প্রচার চালানো হয়; যা নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটির নজরে আসে।

উভয় প্রার্থীর ক্ষেত্রে নোটিসে বলা হয়, নির্বাচনের নির্দিষ্ট তারিখের তিন সপ্তাহে আগে প্রচার চালানো শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

এমন পরিস্থিতিতে কেন দুই প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে উক্ত অপরাধ বিচারের জন্য আমলে নেওয়া হবে না তা জানাতে ১৯ জানুয়ারি বেলা ১১টায় ফরিদগঞ্জ সিভিল জজ আদালতে প্রতিনিধির মাধ্যমে উপস্থিত হয়ে লিখিতভাবে কারণ দর্শানোর জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়।

এর ব্যত্যয় হলে প্রার্থীর বিরুদ্ধে উপযুক্ত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশন বরাবর প্রতিবেদন পাঠানো হবে বলে নোটিসে বলা হয়েছে।