Published : 17 Sep 2026, 07:08 PM
পুলক চ্যাটার্জি নিজের জীবন দিয়ে পেশার সীমাবদ্ধতা ও সমস্যা দেখিয়ে গিয়েছেন বলে বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দীন স্বপন।
তিনি বলেছেন, “সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির মৃত্যুকে ব্যক্তিগত সমস্যা হিসেবে না নিয়ে পেশাগত সমস্যা হিসেবে নিতে হবে। এটাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে সমাধান করতেই হবে।
“সেই কাজটা এগিয়ে দিয়ে গেলেন তিনি; সন্তান ও স্ত্রীর ত্যাগের মাধ্যমে।”
বৃহস্পতিবার নগরীর পূর্ব মল্লিক রোড সরকারী বরিশাল কলেজের পাশে সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির বাসভবনে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের খোঁজ-খবর নেন স্বপন। এ সময় তিনি এসব কথা বলেন।
পুলক চ্যাটার্জি আর ফিরে আসবেন না জানিয়ে স্বপন বলেন, “তার অনাকাঙ্ক্ষিত প্রস্থান নিয়ে শুধু প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেই চলবে না। একটু গভীরভাবে ভাবতে হবে। এটা বন্ধ করতেই হবে।”
পুলক চ্যাটার্জির সঙ্গে সাংবাদিকতার বাইরেও একটা ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিলো। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তার সঙ্গে আলোচনা করেছেন। তিনি একজন বিনয়ী ও রুচিশীল মানুষ ছিলেন বলে বর্ণনা করেন জহির উদ্দীন স্বপন।
তিনি বলেন, তথ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর সাংবাদিকতার অত্যন্ত গভীরে তাকে ঢুকতে হয়েছে। সাংবাদিক ও মালিক পক্ষের স্বার্থ নিশ্চিত করে একটা ওয়েজ বোর্ড করার চেষ্টা হয়েছে। সেই কাজ কিছুটা এগিয়েছেও।
এ সময় জহির উদ্দীন স্বপন বলেন, সৎ সাংবাদিক সমাজের সম্পদ। এই পেশা দিয়ে কেউ বিত্তবান হয় না। এই পেশা নিজেকে মর্যাদাবান করে। সামাজিক দায়-দায়িত্বের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নিজের ডাল-ভাতের ব্যবস্থা করাও অনেক সম্মানের ব্যাপার।
প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমের বিষয়ে অনেক সচেতন জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তথ্য কমিশনের কথা বলেছেন, সাংবাদিকদের স্বাধীনতার কথা বলেছেন। এই নীতি কথাগুলো বাস্তব কর্মসূচিতে দেওয়ার জন্য অংশীজনের সঙ্গে কথা বলে পরিবেশটা তৈরি করেছিলাম।”
এ সময় জহির উদ্দীন স্বপন সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জীর স্ত্রী নিলোৎপলা চ্যাটার্জি প্রিয়াংকা ও কন্যা প্রকৃতি চ্যাটার্জির সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের সার্বিক খোঁজ-খবর নেন।
জহির উদ্দিন স্বপনের সঙ্গে বরিশাল মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মীর জাহিদুল কবির, সাবেক সহসম্পাদক আনোয়ারুল হক তারিন, বরিশাল প্রেস ক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম খসরু, সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন, বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি সুশান্ত ঘোষ উপস্থিত ছিলেন।