বরিশালে আদালত ভবনের নিচে কলেজ কর্মচারীর লাশ
কেউ নিশ্চিত করতে পারেননি রিমন কত তলা থেকে পড়েছেন।
চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ১০ তলা ভবনের ওপর থেকে নিচে পড়ে বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজের ক্যাশিয়ারের মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে ভবনের পশ্চিম পাশে লাশটি পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ লাশ উদ্ধার করেছে বলে কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মনিরুল ইসলাম জানান।
নিহত মো. নাজমুল হক রিমন (৩২) বরিশাল নগরীর ৩০ নম্বর ওয়ার্ড গণপাড়া এলাকার এনামুল হকের ছেলে।
চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনের দ্বিতীয় তলার হাজতখানার দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য মো. হানিফ বলেন, “হঠাৎ করে বিকট শব্দ হয়। দৌড়ে এসে দেখি নিচে একজন পড়ে আছে।”
তবে কেউ নিশ্চিত করতে পারেননি রিমন কত তলা থেকে পড়েছেন। কেউ কেউ বলেছেন, তিনি হয়ত ছয়তলা থেকে পড়েছেন।
পুলিশের জেলা আদালত পরিদর্শক মো. আনোয়ার হোসেন এবং মহানগর আদালত পরিদর্শক তারক বিশ্বাসও নিশ্চিত নন তিনি কত তলা থেকে পড়েছেন।
কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মনিরুল ইসলাম বলেন, তিনি ভবনটির কত তলা থেকে বা কীভাবে নিচে পড়েছেন তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হবে।
পুলিশ জানায়, ২০১৩ সালে বরিশালের এয়ারপোর্ট থানায় করা একটি মামলার বাদী ছিলেন রিমন। একই থানায় অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগে করা একটি মামলার আসামি ছিলেন তিনি। স্ত্রী তাকে ডিভোর্স দিয়ে ঢাকার একটি আদালতে মামলাও করেছে।
বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজের হিসাবরক্ষক শেখ ফরিদ আহমেদ বলেন, সোমবার কলেজের অডিট শেষে ব্যাংকের হিসাবে ৩ লাখ ৮৩ হাজার টাকার স্থানে মাত্র ৩৮ হাজার টাকা জমা পাওয়ার প্রমাণ মেলে। এতে অডিট কমিটি তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা ও মামলার সুপারিশ করলেও এখনো কোনো আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
